যশোর, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

আগুনঝরা দিন শেষে যশোরে স্বস্তির বৃষ্টি

শাহারুল ইসলাম ফারদিন

, যশোর

প্রকাশ : সোমবার, ১৮ মে,২০২৬, ১১:৩১ পিএম
আগুনঝরা দিন শেষে যশোরে স্বস্তির বৃষ্টি

টানা কয়েকদিনের দাবদাহ আর ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করা যশোরবাসী অবশেষে পেল কিছুটা স্বস্তি। সোমবার (১৮ মে) বিকাল সাড়ে পাঁচটার পর হঠাৎ করেই বদলে যেতে শুরু করে আকাশের চেহারা।

কয়েক মিনিটের ব্যবধানে পশ্চিম আকাশে জমতে থাকে কালো মেঘ। ধীরে ধীরে অন্ধকারে ঢেকে যায় পুরো শহর। মনে হচ্ছিলো রাত নেমে এসেছে। এরপর সন্ধ্যার দিকে শুরু হয় স্বস্তির বৃষ্টি।

সারাদিনের প্রখর রোদ আর তীব্র গরমে অতিষ্ঠ মানুষ বৃষ্টির প্রথম ফোঁটা পড়তেই যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন। অনেকে ছাদে উঠে কিংবা বাসার সামনে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন দীর্ঘ প্রতীক্ষার এই বৃষ্টি।

সোমবার দুপুরে যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা দেশের সর্বোচ্চ দ্বিতীয় তাপমাত্রা ছিল যশোরে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৫৮ শতাংশ। ফলে প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়েও বেশি গরম অনুভূত হচ্ছিল।

দুপুরের পর শহরের ব্যস্ত সড়কগুলো প্রায় ফাঁকা হয়ে পড়ে। রিকশাচালক, দিনমজুর, নির্মাণশ্রমিক ও কৃষকরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন। তবে বিকালের পরপরই প্রকৃতিতে আসে পরিবর্তন।

প্রথমে গরম বাতাস থেমে গিয়ে শুরু হয় দমকা হাওয়া। এরপর কালো মেঘে ঢেকে যায় শহরের আকাশ। এতে বিকেলেই মনে হচ্ছিল রাত। সন্ধ্যা নামার আগেই শুরু হয় বৃষ্টি। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হয়েছে।

বৃষ্টির পরপরই শহরের পরিবেশ অনেকটা ঠান্ডা হয়ে আসে। তীব্র গরমে পুড়ে যাওয়া সড়কগুলোতেও দেখা যায় স্বস্তির ছাপ। দিনের বেলায় যেসব সড়কের পিচ নরম হয়ে গিয়েছিল, সন্ধ্যার বৃষ্টিতে সেগুলো কিছুটা ঠান্ডা হয়।

শহরের কোর্টমোড় এলাকায় দোকানদার অরাবিন্দ সরকার বলেন, সারাদিন গরমে দোকানে বসে থাকা কষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। সন্ধ্যার এই বৃষ্টিটা মানুষকে অনেক স্বস্তি দিয়েছে। বৃষ্টি শুরু হতেই সবাই দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেছে।

রিকশাচালক আজগর আলী বলেন, দুপুরে রাস্তায় বের হওয়া যাচ্ছিল না। মনে হচ্ছিল আগুনের মধ্যে আছি। বৃষ্টি হওয়ার পর এখন অনেক ভালো লাগছে।

বেজপাড়ার কলেজছাত্র শিমুল চৌধুরী বলেন, কয়েকদিন ধরে অসহ্য গরম পড়ছিল। সন্ধ্যার বৃষ্টিতে পুরো শহরটাই যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

যশোর মতিউর রহমান বিমানঘাঁটিতে অবস্থিত আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, তাপপ্রবাহের মধ্যে স্থানীয়ভাবে মেঘ সৃষ্টি হওয়ায় সন্ধ্যার দিকে বজ্রসহ বৃষ্টি হয়েছে। এতে তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে। তবে আগামী কয়েকদিন গরম পুরোপুরি কমে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলেও ভ্যাপসা গরম থাকতে পারে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)