যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সরাসরি আলোচনা শুরু

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : শনিবার, ১১ এপ্রিল,২০২৬, ০৯:১১ পিএম
আপডেট : শনিবার, ১১ এপ্রিল,২০২৬, ০৯:১৮ পিএম
ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সরাসরি আলোচনা শুরু

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত আলোচনা শুরু হয়েছে। চলমান আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে, যেখানে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল সরাসরি আলোচনায় বসেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এর আগে পর্যন্ত আলোচনা পরোক্ষভাবে চলছিল—দুই পক্ষ আলাদা কক্ষে অবস্থান করে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান করছিল।

তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। মধ্যস্থতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এখন দুই দেশের প্রতিনিধিরা একই টেবিলে বসে সরাসরি আলোচনা করছেন, যেখানে পাকিস্তানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত রয়েছেন।

সরাসরি আলোচনায় অগ্রসর হওয়া কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা সম্ভাব্য সমঝোতার পথকে আরো সুগম করতে পারে।

শনিবার সকাল থেকেই ইসলামাবাদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছিল সারা বিশ্বের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ প্রথমে ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পরবর্তীতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন মার্কিন দলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেন। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে সঙ্গে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার।

আর বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি।

আর দিনের শুরুতে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের পৃথক বৈঠকের বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

যাইহোক আলোচনা শুরু হলেও উভয় পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিনের ‘চরম অবিশ্বাস’ ও সংশয় এখনো বিদ্যমান। ইরান যেখানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অবসান এবং নিরাপত্তার গ্যারান্টি চাইছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক প্রভাবের নিয়ন্ত্রণ এবং নৌ-পথের নিরাপত্তা। তবে এই অবিশ্বাসের পরিবেশেও আলোচনার টেবিলে বসার সিদ্ধান্তকে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা একটি বড় ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন।

সূত্র: বিবিসি, আলজাজিরা।

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)