স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোর সেনানিবাসে চাকরি দেওয়ার কথা বলে আট লাখ টাকা নিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগে শেখ মোয়াজ্জেম নামে সাবেক সেনাসদস্যকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। গত বুধবার (১৯ আগস্ট) যশোর সেনানিবাস থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক মোয়াজ্জেম নড়াইল কালিয়া উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নড়াইলের কালিয়া থানার জোকা-মুসাহাটি গ্রামের তাছফির খান শান্ত (১৯) নামের এক তরুণের সাথে শেখ মোয়াজ্জেমের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে মোয়াজ্জেম যশোর সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর জিডি ট্রেডে চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব দেন তাছফিরকে। এ জন্য তিনি আট লাখ টাকা নেবেন বলে তাছফির ও তার পরিবারের সাথে চূড়ান্ত কথা বলেন। চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে মোয়াজ্জেম একটি ব্ল্যাংক চেক ও তিনটি ১০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন তাছফিরের পরিবারের কাছ থেকে। পরে গত বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে তাছফির, তার বাবা ও চাচাকে সঙ্গে নিয়ে যশোর সেনানিবাসের নিয়োগ মাঠে যান মোয়াজ্জেম।
এ সময় সেনাবাহিনীর সদস্যরা মোয়াজ্জেমকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখে সন্দেহ করেন। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন সেনাসদস্যরা তার মোবাইলে তাছফিরের ছবি ও মোবাইল নম্বর পান। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি চাকরি দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার বিষয়টি জানান। সেনাসদস্যরা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
এ ঘটনায় তাছফির খান শান্ত বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় শেখ মোয়াজ্জেমের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। মামলার ভিত্তিতে পুলিশ মোয়াজ্জেমকে আটক করার পর বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠায়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।