ফিরছে ক্রিকেট উন্মাদনা
খুলনা অফিস
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ঘরোয়া ক্রিকেটের ঐতিহ্যবাহী আসর ঘিরে আবার প্রাণচাঞ্চল্য ও নতুন উদ্দীপনা ফিরে এসেছে খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে পর্দা উঠলো ২৮তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল)।
সকাল ৯টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ক্রিকেট আসরের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালক, নারী উইংয়ের ভাইস চেয়ারম্যান ও খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন।
এসময় বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল্লাহ হারুন, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মোল্লা খায়রুল ইসলাম এবং বিসিবি কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম হোসেনসহ বিসিবি ও স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, দেশের আটটি বিভাগীয় দল নিয়ে চার দিনের এই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট প্রতিযোগিতা চলবে।
প্রথম রাউন্ডেই স্বাগতিক খুলনা বিভাগের মুখোমুখি হয়েছে বরিশাল বিভাগ।
পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিটি দল মোট সাতটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে। আগামী ১৭ নভেম্বর ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে খেলার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি দেখতে খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে বিসিবি পরিচালক শফিকুল আলম তুহিনের নেতৃত্বে একটি টেকনিক্যাল টিম।
পরিদর্শন শেষে বিসিবি পরিচালক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, 'এনসিএলের ম্যাচ আয়োজনের মধ্যদিয়ে দীর্ঘদিন পর খুলনায় জাতীয় পর্যায়ের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট ফিরলো। এই মাঠে খেলোয়াড়, ম্যাচ অফিসিয়াল ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিসিবি থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।'
তিনি আরও জানান, কেবল এনসিএল নয়, আগামী ডিসেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া 'ডি-থ্রি' টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলোও খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে আয়োজনের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। বিসিবি টিমের এই পরিদর্শনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল এনসিএল সফলভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি 'ডি-থ্রি' ও ভবিষ্যতে বিসিবির পরিকল্পিত বড় পরিসরের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি আসরের ভেন্যু হিসেবে খুলনার সক্ষমতা যাচাই করা। তবে ভেন্যুর কিছু সংস্কার কাজ এখনও চলমান রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এদিকে, এনসিএলের এই ম্যাচ শুরুর মধ্য দিয়ে খুলনায় আবারও নিয়মিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট ফেরানোর দুয়ার উন্মুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও আয়োজকরা।