যশোরে ১৭৭ রেলক্রসিংয়ের ৯৯টিই অবৈধ, বৈধগুলোর ৩৪টিতেও নেই গেটম্যান
এক দশকে ৪৫ দুর্ঘটনায় ৭৫ প্রাণহানি, একাধিক দপ্তরের টানাপড়েনে মৃত্যুঝুঁকি
রাব্বি আল-আমিন
, যশোর
রেললাইন আছে, সড়কও আছে; কিন্তু অনেক স্থানে নেই নিরাপত্তার ন্যূনতম ব্যবস্থা। যশোর জেলার ১৭৭টি রেলক্রসিংয়ের মধ্যে ৯৯টিই অবৈধ বা অননুমোদিত। অন্যদিকে, বৈধ ৭৮টি ক্রসিংয়ের ৩৪টিতে নেই গেটম্যান। ফলে জেলার বিভিন্ন স্থানে ঝুঁকি নিয়েই রেললাইন পারাপার হতে হচ্ছে পথচারী ও যানবাহন চালকদের। অরক্ষিত এসব ক্রসিংয়ে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা, ঝুঁকিতে পড়ছে মানুষের জীবন।
রেলক্রসিংয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ ক্রসিং নিয়ন্ত্রণ এবং গেটম্যান নিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বক্তব্যে উঠে এসেছে দায়িত্ব ও সমন্বয়ের ঘাটতির চিত্র।
রেল বিভাগের দাবি, বিভিন্ন দপ্তর ও স্থানীয় ব্যক্তিদের উদ্যোগে অপরিকল্পিত সড়ক নির্মাণের কারণে অবৈধ ক্রসিং বাড়ছে। অন্যদিকে, এলজিইডির অভিযোগ, গেটম্যান নিয়োগের বিষয়ে রেল বিভাগকে চিঠি দিয়েও কার্যকর উদ্যোগ পাওয়া যায়নি। দুই দপ্তরের এই টানাপড়েনে নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন মানুষ।
রেলগাড়ি আসার আগাম সংকেত, গেটবার কিংবা গেটম্যান—কোনোটিই নেই এমন ক্রসিংও রয়েছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়। কোথাও আবার সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড থাকলেও তার লেখা অস্পষ্ট। আধুনিক সিগন্যালব্যবস্থার অভাবে অনেক ক্ষেত্রে গেটম্যানদের ফোনে যোগাযোগের ওপর নির্ভর করতে হয়। যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটলে ট্রেনের আগমন সম্পর্কে সময়মতো তথ্য না পাওয়ার ঝুঁকি থাকে। গেটবার ও গেটম্যান থাকা সত্ত্বেও দুর্ঘটনা এড়ানো যাচ্ছে না সব ক্ষেত্রে।

এক দশকে ৪৫ দুর্ঘটনা, প্রাণহানি অন্তত ৭৫
বাংলাদেশ রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, যশোর জেলার ওপর দিয়ে যাওয়া তিনটি রেলপথের অংশে থাকা ১৭৭টি ক্রসিংয়ের মধ্যে ৯৯টি অবৈধ। বৈধ ৭৮টির মধ্যে ৩৪টিতে গেটম্যান নেই। বেজেরডাঙ্গা-যশোর ক্যান্টনমেন্ট সেকশনে ৫৮টি এবং যশোর-বেনাপোল সেকশনে চারটি ক্রসিং বাদে আরও ৪১টি অবৈধ লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এসব স্থানে গেটবার না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পার হচ্ছেন পথচারীরা ছাড়াও ছোটখাটো যানবাহন।
এলজিইডির তথ্য অনুযায়ী, যশোর জেলায় তাদের আওতাধীন ৪০টি লেভেল ক্রসিংয়ের মধ্যে ৩৪টি অবৈধ। এর মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় ১৪টির মধ্যে আটটি অবৈধ। এ ছাড়া অভয়নগরে তিনটি, ঝিকরগাছায় ১৪টি ও শার্শায় নয়টি অবৈধ ক্রসিং রয়েছে বলে সংস্থাটির তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত দুটি বড় দুর্ঘটনায় পাঁচজন হতাহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা যায়। গত ২৬ সেপ্টেম্বর যশোর সদর উপজেলার কৃষ্ণবাটি লেভেল ক্রসিংয়ে বেনাপোল থেকে ঢাকাগামী ‘রূপসী বাংলা’ ট্রেনের ধাক্কায় ইজিবাইকচালক আজিজুর রহমান ও যাত্রী এরশাদ আলী নিহত হন। এর আগে ১০ মে অভয়নগরের ভাঙাগেটে কয়লাবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে ট্রাকচালক মনোয়ার হোসেন নিহত হন। এ দুর্ঘটনায় ট্রাকের হেলপার রায়হান পঙ্গুত্ববরণ করেন।
এদিকে, গত এক দশকে এ অঞ্চলে ছোট-বড় ৪৫টি দুর্ঘটনায় অন্তত ৭৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। গুরুতর আহত হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করেছেন আরও অনেকে।

ফোননির্ভর যোগাযোগে দায়িত্ব পালন
রেলক্রসিংয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থা কতটা নাজুক, তা উঠে এসেছে যশোরের খড়কি রেলগেটের গেটম্যান সুকান্ত সিংহের বক্তব্যে।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে তিনজন ডিউটি করি। আট ঘণ্টা করে শিফটিং ডিউটির মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করা হয়। আমি সকাল ৬টায় ডিউটি শুরু করেছি, দুপুর ২টায় শেষ করবো।’
তিনি জানান, ট্রেন চলাচলের তথ্য পেতে এক গেট থেকে অন্য গেটে ফোন করে জানানো হয়। কোনো গেটকিপার ট্রেনের খবর দিতে ভুল করলে বা কল করতে বা রিসিভ করতে না পারলে পরবর্তী গেটে ট্রেনের আগমনের তথ্য না-ও পৌঁছাতে পারে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ে।
সুকান্ত সিংহ বলেন, ‘আমাদের সিগন্যালিংয়ের ব্যবস্থা খুবই দুর্বল। আমরা ফোনের ওপর নির্ভরশীল। ফোনে চার্জ না থাকলে বা নেটওয়ার্কের সমস্যায় কল না এলে ট্রেনের খবর মিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তখন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
তার অভিযোগ, এক গেট থেকে অন্য গেটে নিয়মিত সংকেত দেওয়ার ব্যবস্থাও কার্যকর নয়। এ ছাড়া গেটম্যানদের জন্য বরাদ্দ ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় তাদের দায়িত্ব পালন ও অবস্থান করতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
আধা কিলোমিটারে সাত ক্রসিং, বৈধ মাত্র একটি
যশোর-কোটচাঁদপুর রেলপথে যশোর শহরের খড়কি এলাকায় আধা কিলোমিটারের মধ্যে সাতটি লেভেল ক্রসিং রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র একটি বৈধ। খড়কি ধোপাপাড়ার সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলাচল করেন। এই সড়কের পাশে রয়েছে খড়কি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, যেখানে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে। স্থানীয়দের ভাষ্য, এলজিইডি সড়ক নির্মাণের সময় এসব ক্রসিংয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
খড়কি ধোপাপাড়ার সড়কটি যশোর শহরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের বাসিন্দাদের শহরে প্রবেশের অন্যতম পথ। সড়কটির ওপর দিয়ে চলে গেছে যশোর-কোটচাঁদপুর রেলপথ। ঢাকা ও রাজশাহীগামীসহ উত্তরবঙ্গের সাথে রেলযোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই পথে থাকা ক্রসিংটিতে গেটম্যান নেই। সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড থাকলেও তার লেখা অস্পষ্ট ও বোর্ডের অবস্থা নাজুক।
অরক্ষিত এসব ক্রসিংয়ে রেললাইন পার হওয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রে ট্রেন আসছে কি না, তা আগে থেকে বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও স্থানীয় বাসিন্দারাই স্বেচ্ছায় দাঁড়িয়ে পথচারী ও যানবাহন চালকদের সতর্ক করার চেষ্টা করেন।
খড়কি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আল ইমরান বলেন, বিদ্যালয়ের পাশে থাকা অননুমোদিত রেলক্রসিংটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তিন শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়মিত এই সড়ক ও ক্রসিং দিয়ে যাতায়াত করে। বিকল্প পথ না থাকায় শিশুদের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে হয়।
তিনি বলেন, ‘এর আগেও এখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে। একজনের অঙ্গহানি ঘটেছে। এ কারণে আমরা সব সময় উদ্বেগের মধ্যে থাকি কখন কোন শিক্ষার্থী বড় ধরনের দুর্ঘটনার শিকার হয়!’
শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় ক্রসিংটিতে স্থায়ী গেটবার ও গেটম্যান নিয়োগের ব্যবস্থা করতে রেল কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
কৃষ্ণবাটিতে দুর্ঘটনার পর আতঙ্ক
যশোর সদর উপজেলার কৃষ্ণবাটি গ্রামের ভ্যানচালক নাসির উদ্দিন বলেন, অরক্ষিত রেলক্রসিং ও অপরিকল্পিত স্থানীয় সড়কের কারণে বাসিন্দাদের প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। তার অভিযোগ, ক্রসিংয়ের দুই পাশ থেকে রেললাইন স্পষ্ট দেখা যায় না। ফলে রেললাইনের কাছে না পৌঁছানো পর্যন্ত অনেক সময় ট্রেন আসছে কি না, তা বোঝা কঠিন হয়।
নাসির উদ্দিনের ভাষ্য, বেনাপোল-যশোর রেলপথে চলাচলকারী ট্রেনের হর্ন অনেক সময় যানবাহন চালকদের কাছে যথাসময়ে পৌঁছায় না বলে তাদের মনে হয়। এতে পারাপারের ঝুঁকি বাড়ে। সম্প্রতি কৃষ্ণবাটি ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় ইজিবাইকের দুই আরোহীর মৃত্যুর ঘটনাও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বাড়িয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে ক্রসিংটিতে স্থায়ী রেলগেট ও গেটম্যান নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের মতে, নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা করা গেলে দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
রেল বিভাগের দাবি, অবৈধ ক্রসিং তৈরি করছে বিভিন্ন পক্ষ
যশোর রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ চাঁদ বলেন, স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রয়োজনে অনুমোদন ছাড়াই লেভেল ক্রসিং তৈরি করেছে। আবার অতীতে বিভিন্ন দপ্তরের অধীনে থাকা কিছু বৈধ ক্রসিং ব্যবহারের অভাবে বর্তমানে জনবলহীন হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী রেললাইনের উভয় পাশে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড স্থাপন করে মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছে রেল কর্তৃপক্ষ। এসব বোর্ডে ‘দেখুন, শুনুন, সতর্কতার সঙ্গে চলুন—সামনে অবৈধ লেভেল ক্রসিং গেট’ ধরনের লিখিত বার্তা দেওয়া হয়।
মোহাম্মদ চাঁদ জানান, দুর্ঘটনা এড়াতে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকের মাধ্যমে ‘অপ্রয়োজনীয়’ ক্রসিং বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে নিয়মিত চিঠি দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে, এলজিইডি, সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) কিংবা পৌরসভার আওতাধীন যেসব গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিং বৈধ করা প্রয়োজন, সেগুলোর অনুমোদনপ্রক্রিয়াও নিয়ম অনুযায়ী চলছে।
তিনি আরও বলেন, রেললাইন পারাপারের সময় পথচারী ও চালকদের সতর্ক থাকা জরুরি। প্রযুক্তিগত বা সিগন্যালের ত্রুটির আশঙ্কা থাকায় ডানে-বাঁয়ে দেখে নিরাপদে পারাপারের দায়িত্ব সবারই রয়েছে।
দূরবর্তী ও প্রত্যন্ত এলাকার ক্রসিংগুলোতে বিদ্যুৎ ও সোলার প্যানেলের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা চালুর কাজ চলছে। পাশাপাশি যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে কর্ডলেস মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এটি সব গেটে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান রেলওয়ের এই কর্মকর্তা।
এলজিইডির দাবি, সার্ভে করে তথ্য পাঠানো হয়েছে
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ মাহবুবুর রহমান বলেন, রেলক্রসিংগুলো নিয়ে জরিপ করে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর সমন্বয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সেই তথ্য এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ের রক্ষণাবেক্ষণ ইউনিটে পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের আওতাধীন সড়ক রেললাইনের পাশ দিয়ে গেলে উন্নয়নের সময় রেলের অংশটুকু বাদ দিয়ে কাজ করা হয়। সড়ক নির্মাণের সময় রোড সেফটি, রাম্বল স্ট্রিপ ও বিভিন্ন ধরনের সতর্কতামূলক সাইনবোর্ডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’
আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত হবে, সেই অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানান তিনি।
এলজিইডির দাবি, গেটম্যান নিয়োগের বিষয়ে রেল বিভাগকে চিঠি দেওয়া হলেও কার্যকর উদ্যোগ পাওয়া যায়নি।
ক্রসিংগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী।
সমন্বয়হীনতা বন্ধের দাবি
বৃহত্তর যশোর রেলযোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক রুহুল আমিন বলেন, সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে অবৈধ রেলক্রসিংয়ের সংখ্যা বাড়ছে। এসব ক্রসিং একেকটি মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, দ্রুত ‘অপ্রয়োজনীয়’ ক্রসিং বন্ধ করতে হবে। যেসব স্থানে মানুষের চলাচলের স্বার্থে ক্রসিং রাখা জরুরি, সেখানে নিরাপদ পারাপারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে।
যোগাযোগ ও উন্নয়নের প্রয়োজনে নির্মিত সড়ক যেন মানুষের প্রাণহানির কারণ না হয়, সে জন্য অবৈধ ক্রসিং বন্ধ, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থায়ী গেটবার ও গেটম্যান নিয়োগ এবং রেল বিভাগ, এলজিইডি, পৌরসভাসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের প্রত্যাশা, দুর্ঘটনার পর দায় নির্ধারণের বদলে আগেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।