স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
খুলনা রেঞ্জে শৃঙ্খলা ও শুদ্ধি অভিযানের অংশ হিসেবে একযোগে ২৮ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার (ক্লোজ) করার ঘটনায় যশোরের আটজন রয়েছেন।
তাদের মধ্যে তিনজন উপপরিদর্শকের (এসআই) বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অনিয়ম ও বেতন-ভাতার বাইরে অননুমোদিত আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বাকি পাঁচজনকে তাদের পূর্বনির্ধারিত বদলির কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যশোর জেলা পুলিশ কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, গত অক্টোবর মাসের শেষ দিকে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি কার্যালয়ের এক আদেশে বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে পেশাগত অসদাচরণ, অনিয়ম ও অননুমোদিত আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগে ২৮ জন পুলিশ সদস্যকে একযোগে প্রত্যাহার করে রেঞ্জ রিজার্ভ ফোর্স (আরআরএফ) এবং সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
প্রত্যাহার হওয়া সদস্যদের মধ্যে কনস্টেবল, বাবুর্চি, গাড়িচালক থেকে শুরু করে সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তাও রয়েছেন।
যশোরে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার আওতায় আসা তিন কর্মকর্তা হলেন-উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই অলোক কুমার দে, জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এসআই শিবু পদ মণ্ডল এবং শার্শা থানার এসআই আশীষ কুমার।
তাদের মধ্যে অলোক কুমার দেকে চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনে, শিবু পদ মণ্ডলকে খুলনা আরআরএফ ট্রেনিং সেন্টারে এবং আশীষ কুমারকে ঝিনাইদহের ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে সংযুক্ত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কোতোয়ালি মডেল থানার এএসআই বাবর আলী, চৌগাছা থানার এএসআই শান্ত, জেলা বিশেষ শাখার (ডিএসবি) মোহাম্মদ আহাদ আলী এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার আনিসুর রহমান ও তুষার কান্তি পালকে আগেই বদলি করা হয়েছিল।
তাদের নিজ নিজ বদলির কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম তিন কর্মকর্তাসহ আটজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দায়িত্ব পালনে অনিয়ম এবং বেতন-ভাতার বাইরে আর্থিক সুবিধা গ্রহণের বিষয়ে এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ডিআইজি কার্যালয়ে অভিযোগ ছিল।
সম্প্রতি ওই কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।