সুবর্ণভূমি ডেস্ক
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, তাদের (জামায়াতে ইসলামী) অতীত ইতিহাস আমরা সবাই খুব ভালো করে জানি। সেই কারণেই সমগ্র জাতি অত্যন্ত সচেতনভাবে তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। আগামীতে যেন তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে পুরোপুরি নির্মূল করা যায়- সেভাবে কাজ করতে হবে।
শনিরার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যৌথ সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
জামায়াতে ইসলামী কখনোই সুস্থ চিন্তা করতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, ‘আমি আজকে এক পত্রিকায় একটি সংবাদ দেখলাম। যে সংবাদটি আমাকে অত্যন্ত আহত করেছে। জামায়াতে ইসলামের আমির বলছেন যে, বিএনপি ইঞ্জিনিয়ারিং করে ক্ষমতায় এসেছে। আমি এ কথার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং তিনি বা তার দল যে কখনোই সুস্থভাবে চিন্তা করেন না তার প্রমাণ হয়েছে।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে যারা পর্যবেক্ষণ করতে এসেছিলেন, বাংলাদেশের সব নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা, গণমাধ্যম এক বাক্যে স্বীকার করেছে যে, এই নির্বাচনটি ছিল বাংলাদেশের জন্মের পর থেকে সবচেয়ে নিরপেক্ষ, অবাধ এবং সুষ্ঠু। সেই সুষ্ঠু বিচারের মধ্য দিয়েই বিএনপি তার জনপ্রিয়তায় ২১৩টি আসন লাভ করে সরকার গঠন করার সুযোগ পেয়েছে। সুতরাং জামায়াতে ইসলামের আমিরের এই বক্তব্য আমি আবার প্রত্যাখ্যান করছি, নিন্দা জানাচ্ছি এবং ক্ষোভ প্রকাশ করছি।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা ৫ আগস্টের পরে যে সুযোগ পেয়েছি বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার, সেই প্রচেষ্টাকে নষ্ট করে দেওয়া এবং আবার একটা ফ্যাসিস্ট শাসনের পাঁয়তারা তারা (জামায়াত) করছে কিনা সেটা আমাদের চিন্তা করতে হবে। দেশবাসীকে চিন্তা করতে হবে।’
ব্রিফিংয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, শ্রমিকদলের প্রধান সমন্বয়কারী সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, দক্ষিণের সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ দফতর সম্পাদক মনির হোসেন, তারিকুল ইসলাম তেনজিং, মহিলাদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সংসদ সদস্য এসএম জিলানি, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন, কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল রহমান টিপু, জাসাসের সভাপতি হেলাল খান, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রোকন, তাঁতীদলের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সদস্যসচিব মজিবুর রহমান, উলামাদলের সভাপতি কাজী সেলিম রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।