যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ইবির বৈষম্যবিরোধী নেতার মাদক সেবনের ছবি, বললেন ‘অভিনয়’

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ২৬ এপ্রিল,২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
আপডেট : রবিবার, ২৬ এপ্রিল,২০২৬, ০৮:১৮ পিএম
ইবির বৈষম্যবিরোধী নেতার মাদক সেবনের ছবি, বললেন ‘অভিনয়’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুবাশ্বির আমিনের মাদক সেবনের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে ক্যাম্পাসে জুড়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। তবে, সেই ছবিকে ‘অভিনয়’ বলছেন অভিযুক্ত নেতা।

আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি সূত্র মাদক দ্রব্যটি ইয়াবা অথবা ট্যাপেন্ডাল ট্যাবলেট হতে পারে বলে জানিয়েছেন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে ইবির এই বৈষম্যবিরোধী নেতার মাদক সেবনের ছবি শেয়ার করেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা মেহেদী হাসান হাফিজ। এতে দেখা যায়, ইবির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মুবাশ্বির আমিন মুখে সিগারেট জাতীয় একটি মাদক সেবনের দ্রব্য, হাতে একটি লাইটার এবং অপর হাতে একটি কাগজ ধরে আছেন। অনেকেই এটিকে ইয়াবা সেবনের ছবি বলে অভিযোগ করেছেন।

ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবিরের এক এজেন্ট সমন্বয়ক মুবাশ্বির। ও আমার ইনবক্সে মেরে ফেলা হুমকি দেয়। ওর বাপ আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। মুবাশ্বির তুই তোর বাপের কাছে আমার নাম বলিস যেয়ে, তারও কোনো বাপ থাকলে শৈলকূপার সীমানায় এসে হুমকি দিতে। তুই বেঁচে থাকিস ১৭৫ একরে তোর আসায় লাগবে বাপসহ তোর কৈফিয়ত আমি মেইন গেইট মুরালের সামনে বসে নিবো। তোর দিয়ে জাস্ট ট্রেলার দিলাম। সকল অন্যায়ের বিচার হবে ১৭৫ একরে ইনশাআল্লাহ।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মুবাশ্বির আমিন বলেন, এই ছবিটি ব্যবহার করে এর আগেও আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ছবিটি ২০২৩ সালের শেষ সময়ের যখন আমি সেকেন্ড ইয়ারে পড়তাম এবং শহীদ জিয়া হলের এক বড় ভাইয়ের রুমে গেছিলাম। ওটা ছিলো র‍্যাগিং কালচার। এটা ইয়াবা বা এই জাতীয় কোনো দ্রব্য না, এটা ছিলো অভিনয়। অভিনয়ের সেই ছবিকে ব্যবহার করেই মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর মাধ্যমে একটি পক্ষ আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছে। আগেও আমাকে এসব ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা হয়েছে, আমি এতোদিন সময় পাইনি, সামনে প্রক্টর বরাবর অভিযোগ দেবো। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট; আমি কখনো এসবের সাথে জড়িত ছিলাম না।

এ ব্যাপারে ইবির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক এসএম সুইটকে একাধিকবার মুঠোফোনে চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ক্যাম্পাসে মাদক বা নেশাজাতদ্রব্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত আছে। তবে, এখন পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মাদক সেবনের বা এধরণের কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)