স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে শনিবার থেকে দেশব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এবং নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি ক্রীড়া পরিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হচ্ছে।
আগামী ২ মে (শনিবার) সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সময় দেশের অন্যান্য সকল জেলা স্টেডিয়ামে অংশগ্রহণকারী কিশোর- কিশোরীরা উপস্থিত থাকবে।
একইদিন, শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামে বিকেল তিনটায় যশোরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্রীড়া কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি। এর মাধ্যমে বিএনপির নেতৃত্বাধীন নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ সরকারের আরও একটি নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র মূল লক্ষ্য লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের সুপ্ত ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ, বাছাই এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের মেধা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করা। ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুস্থ, সুন্দর, আত্মবিশ্বাসী ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। একইসাথে খেলাধুলা দলগত চেতনা, নেতৃত্ব ও শৃঙ্খলাবোধ বৃদ্ধিতেও সহায়তা করবে। মেগা এই ক্রীড়া আয়োজনে আটটি ইভেন্ট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় শিশু-কিশোররা তাদের প্রতিভা প্রমাণের সুযোগ পাবে।
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীদের উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে নির্ধারিত হারে ভাতা প্রদান করা হবে। প্রতিটি খেলোয়াড়কে জেলা পর্যায় থেকে দেওয়া হবে জার্সি। প্রতিযোগিতার প্রতিটি পর্যায়ে তাদের স্বীকৃতিস্বরূপ সনদপত্র প্রদান করা হবে। জাতীয় পর্যায়ে বাছাইকৃত সেরা খেলোয়াড়দের জন্য দীর্ঘমেয়াদী আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ও নিজেকে পরিণত করার সুযোগ থাকবে। প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকেএসপিতে ভর্তির সুযোগও তৈরি হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থান আরো সুদৃঢ় হবে।