কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ১৬টি বনজ, ফলদ ও ওষুধি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ করা হচ্ছে কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। কলেজে
আন্তঃবিভাগ ক্রীড়া প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে অস্থায়ী খেলার মাঠের জন্য গাছগুলো কাটা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে, দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের বিজ্ঞান ভবনের সামনে গাছ কর্তনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা বিদ্যালয়ের ফলজ, বনজ এবং ওষুধি ১৬টি গাছ কর্তনের অভিযোগ তোলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কলেজে বড় খেলার মাঠ থাকা সত্ত্বেও নতুন করে অস্থায়ী খেলার মাঠ তৈরি করার জন্য রাতে এবং সকালে কয়েকজন শিক্ষার্থী এসব গাছ কেটে ফেলে। এই কাজে কলেজ অধ্যক্ষের ইন্ধন রয়েছে বলে তারা দাবি করে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কলেজের পরিবেশ সুন্দর করতে গাছ রোপণের পরিবর্তে কর্তৃপক্ষ এভাবে গাছ কাটবে- তা মেনে নেওয়া যায় না। কলেজ ক্যাম্পাসে সিসি ক্যামেরা থাকা সত্ত্বেও কে গাছ কেটেছে তা খুঁজে পাচ্ছে না কর্তৃপক্ষ -এটা হাস্যকর।
বিজ্ঞান বিভাগের এক শিক্ষক জানান, তারা নিজের হাতে গাছগুলোর পরিচর্যা করেন। এগুলো কাটা ঠিক হয়নি। যারা এ কাজ করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
কলেজের উপাধ্যক্ষ মোহা. আব্দুল লতিফ বলেন, শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আমরা অধ্যক্ষ বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছি যারা এ গাছ কর্তন করেছে তাদের চিহ্নিত করতে। খেলার মাঠের জন্য এভাবে গাছ কর্তন করা খুবই খারাপ কাজ হয়েছে।
জানতে চাইলে অধ্যক্ষ প্রফেসর মোল্লা মো. রুহুল আমীন বলেন, ইতিমধ্যে গাছ কর্তনের ব্যাপারে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি। সকালে শিক্ষকরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, কর্মরত গার্ডদের কাছে লিখিত জবাব চাওয়া হয়েছে।