যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

সরকারের কৃষকবান্ধব সিদ্ধান্তে বোরোর বাম্পার ফলন: অমিত

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : শুক্রবার, ৮ মে,২০২৬, ০৪:০৬ পিএম
সরকারের কৃষকবান্ধব সিদ্ধান্তে বোরোর বাম্পার ফলন: অমিত

সরকারের কৃষকবান্ধব সাহসী সিদ্ধান্তে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি শুক্রবার দুপুরে যশোর খাদ্য গুদামে চলতি বোরো মৌসুমে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ উদ্বোধনকালে এই মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যুদ্ধে বিশ্বে জ্বালানি সরবরাহ চ্যাঞ্জেলের মধ্যে পড়েছিল। বাংলাদেশও ঝুঁকির মধ্যে ছিল। তারেক রহমানের তাৎক্ষণিক সাহসী সিদ্ধান্তে জনগণের সহযোগিতায় সেই পরিস্থিতি মেকাবেলা সফলভাবে করতে পেরেছি। সরকারের সিন্ধান্ত ছিল প্রয়োজনে গাড়ির জ্বালানি সরবারাহ বন্ধ রেখে কৃষকের সেচের জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সিন্ধান্ত ছিল, প্রযোজনে শহরের মানুষের বাসাবাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে, কিন্তু কৃষকের সেচ পাম্পে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে না। আমরা নানা সংকটেও কৃষকের বিদ্যুৎ জ্বালানি কৃষকের ধানক্ষেতে পৌঁছে দিতে সমর্থ হয়েছি। সরকারের কৃষকবান্ধব এই সিদ্ধান্তের ফলে সারাদেশে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। এই বোরো ধান দেশের মূল ফসল। এটি ভালো হলে দেশের অর্থনীতি ভালো থাকে।'

‘কৃষিক্ষেত্রে অগ্রযাত্রার সূচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান’ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী অমিত বলেন, 'হাতের কালি মোছার আগেই সরকার কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করেছে। যার মাধ্যমে কৃষকরা সরকারি ভর্তুকি মূল্যে সকল প্রকার কৃষি উপকরণ কিনতে পারবে। প্রয়োজনে কৃষক স্বল্প সুদে কৃষিঋণ নিতে পারবে। দলের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার দশ হাজার টাকা কৃষিঋণ মওকুফ করেছে।’

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন ছাড়াও বিদেশ থেকে উন্নত মানের সার বীজ, যন্ত্রপাতিসহ সকল প্রকার কৃষি উপকরণ এনে দেশের কৃষিতে সবুজ বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। দেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। কৃষি খাতের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার পিতার সব কর্মসূচি নতুনভাবে শুরু করেছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'সরকারের বেঁধে দেওয়া ধানের দাম প্রতিকেজি ৩৬ টাকা; এটা ভালো দাম। এর ফলে কৃষক তার উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য দাম পাবে; অপরদিকে এই খাদ্য অধিদপ্তরও তার প্রয়োজনীয় ধান ও চাল সংগ্রহ করতে পারবে। যার প্রভাবে বাজার স্থিতিশীল করা সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন, ধান সংগ্রহকালে বিভিন্ন অসাধু কর্মকর্তা কৃষকদের ওজনে ঠকান। এই ধরনের কার্যক্রমের কোনো অভিযোগ পেলে সেইসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহরিয়ার হক প্রমুখ।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সেফাউর রহমান জানান, চলতি বোরো মৌসুমে যশোর জেলায় ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ১৫ হাজার ১৬৬ মেট্রিক টন। সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের এই উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পাবেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)