যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

শিশু মৃত্যুর ঘটনায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্বজনদের উত্তেজনা

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : রবিবার, ৩১ মে,২০২৬, ০৯:৫৩ পিএম
আপডেট : রবিবার, ৩১ মে,২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
শিশু মৃত্যুর ঘটনায় যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্বজনদের উত্তেজনা

যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ১০ মাস বয়সি এক শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার তাকে খুলনায় রেফার করার পর হাসপাতালের এক পরিচ্ছন্নতাকর্মী জোরপূর্বক শিশুটির অক্সিজেন পাইপ খুলে বড়দের মাস্ক পরিয়ে দেয়। ফলে শিশুটির মৃত্যু হয় বলে তার পরিবারের লোকজনের অভিযোগ।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে  হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘটে। নিহত নাজমা যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার নুর ইসলামের মেয়ে।

নিহত শিশুর পরিবার ও হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, ২৭ মে থেকে ১০ মাস বয়সী শিশু নাজমা হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিল।  শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় রেফার করেন।

নিহত শিশুর পিতা নূর ইসলাম অভিযোগ করেন, শিশুটিকে অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়ার জন্য হাসপাতালের ৪র্থ তলার শিশু ওয়ার্ড থেকে নিচে নামানোর প্রস্তুতি চলছিল। ওই সময় শিশুটির নাকে অক্সিজেন পাইপ লাগানো ছিল। কিন্তু ওয়ার্ড থেকে নামানোর সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মী নাজমা বেগম শিশুটির নাক থেকে ওই অক্সিজেনের পাইপটি খুলে ফেলেন। এরপর তিনি সেখানে জোর করে বড়দের ব্যবহৃত একটি বড় অক্সিজেন মাস্ক লাগিয়ে দেন। এ অবস্থায় শিশুটিকে নিচে নামিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় শিশুটি সম্পূর্ণ অচেতন হয়ে পড়ে। অ্যাম্বুলেন্স চালক ও শিশুটির পিতা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আবারো হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশু নাজমাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুর পিতার দাবি, পরিচ্ছন্নতাকর্মী যদি জোর করে শিশুর নাকের অক্সিজেন পাইপটি পরিবর্তন না করতেন, তবে হয়তো তার সন্তানকে বাঁচানো সম্ভব হতো। এই ঘটনার পর শিশুর স্বজনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

খবর পেয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মৃত শিশুকে নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন তার স্বজনরা।

ডাক্তার আব্দুস সামাদ বলেন, শিশুটি আমার ইউনিটের না। তারপরও তাকে আমি দেখেছি। জ্বরসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ে খারাপ অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার হুসাসাইন শাফায়েত এ বিষয়ে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খোজ খবর নিয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)