যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

খুলনা ইমাম পরিষদ সেক্রেটারির অব্যাহতি দাবি ওষুধ ব্যবসায়ীদের

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ১৯ এপ্রিল,২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
আপডেট : রবিবার, ১৯ এপ্রিল,২০২৬, ০৯:৪৯ পিএম
খুলনা ইমাম পরিষদ সেক্রেটারির অব্যাহতি দাবি ওষুধ ব্যবসায়ীদের

খুলনা জেলা ঈমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়ার অব্যাহতি দাবি করেছেন ওষুধ ব্যবসায়ীরা। অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে বহিষ্কৃত হেরাজ মার্কেট মসজিদের ইমাম আবুল কালাম আজাদের পক্ষে বিতর্কিত ভূমিকা পালন করায় ব্যবসায়ীরা এ দাবি জানান।

রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। বৃহত্তর হেরাজ মার্কেট ওষুধ ব্যবসায়ী কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাকির পিন্টু সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) আসরের নামাজ শেষে মার্কেটে বহিরাগতদের এনে ত্রাস সৃষ্টি করেন সাবেক ইমাম আবুল কালাম আজাদ।

তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৫ এপ্রিল খুলনা থানার অফিসার এসআই সাইদুর রহমান (সাইদ) ও এসআই জামাল মসজিদ ও মার্কেট কর্তৃপক্ষকে থানায় ডাকেন।

সে সময় তারা জানান, সাথী বেগম নামে এক নারী মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে একটি লিখিত এজাহার দিয়েছেন। তারা মোবাইলের মাধ্যমে অনৈতিক কার্যকলাপের ২৫ মিনিটের অশ্লীল ভিডিও দেখান।

ভিডিও বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন মসজিদ কমিটি গত বছর ১৪ মে সভা করে ইমামকে বহিষ্কার করেন।

ওই ইমামের নামে নারী ও শিশু আদালতে একটি ধর্ষণ মামলা রয়েছে। যার নম্বর ১০/২৬। মামলাটি পি বি আই খুলনায় তদন্তাধীন আছে। দীর্ঘ ১১মাস মসজিদ কমিটি নতুন ইমাম নিয়োগের উদ্যোগ নেয়।

হঠাৎ শনিবার ( ১৮ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় সাবেক ইমাম আবুল কালাম আজাদ, জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোলাম বিকরিয়া, নাজমুজ সৌদ ও মোল্লা মিরাজ ইমাম পরিষদের তার অনুগত কিছু সদস্য এবং বহিরাগত লোক নিয়ে মসজিদ ও মার্কেটে বিশৃঙ্খলা ঘটায়।

বিষয়টি নিয়ে মার্কেট কমিটি এবং মসজিদ কমিটি খুলনা থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আবুল কালাম আজাদকে বহিষ্কারের পর থেকে বিভিন্ন সময় গোলাম কিবরিয়া (৬০), আব্দুল হামিদসহ (৪০) অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে বর্তমান মসজিদ কমিটির সদস্যদের সাথে খারাপ আচরণ ও তাদেরকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি প্রদান করে পুনরায় মসজিদে ইমামতি করার জন্য পায়তারা করে আসছিলেন।

তারই ধারবাহিকতায় গোলাম কিবরিয়া শনিবার বিকালে হেরাজ মার্কেট জামে মসজিদের মাইকের মাধ্যমে ঘোষণা দেন যে আবুল কালাম আজাদকে মসজিদের ইমামতিতে বহাল রাখা হলো।

এ ঘোষণার পর বর্তমান বৃহত্তর হেরাজ মার্কেট ওষুধ ব্যবসায়ী কমিটির সেক্রেটারি নাজমুস সাকির পিন্টু প্রতিবাদ করলে তারা তাকে ঘিরে ধরে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করেন। এতে পিন্টুর ডান চোখের নিচে ফেটে জখম হয়।

পিন্টুকে রক্ষা করতে মার্কেট কমিটির সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন সুজা, মসজিদ কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম, হেরাজ মার্কেটের শামিম ফার্মেসির কর্মচারী সাব্বির হোসেন, হেরাজ মার্কেট কমিটির সদস্য তানভীর আহম্মেদ, লাকি ফার্মেসির কর্মচারী তানজীদ আহম্মেদসহ মসজিদ ও মার্কেট কমিটির সদস্যরা এগিয়ে আসলে আসামিরা তাদেরকেও এলোপাতাড়িভাবে মারপেটে জখম করে।

এক পর্যায়ে তারা মসজিদের ডিজিটাল ঘড়ি ও জানালার থাই গ্লাস ভাঙচুর করে অনুমান ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও জীবন নাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

আহতরা খুলনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ব্যাপারে ওইদিন রাতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ওই ঘটনায় হেরাজ মার্কেট এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)