যশোর, বাংলাদেশ || সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

অনুদানের তালিকায় জামায়াত এমপির মেয়ের নাম: পিএস বহিষ্কার

নড়াইল প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ২৮ জুন,২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
অনুদানের তালিকায় জামায়াত এমপির মেয়ের নাম: পিএস বহিষ্কার

নড়াইল-২ (সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চুর ঐচ্ছিক তহবিলের অনুদান মঞ্জুরির একটি তালিকায় ‘তার মেয়ের নাম দেওয়ায়’ ব্যক্তিগত সহকারী আবু সালেহ মোহাম্মদ গোফরানকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আদেশটি ২৮/০৬/২০২৬ ইং তারিখ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।

সংসদ সদস্য মো. আতাউর রহমান বাচ্চু রোববার (২৮ জুন) তার নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এই সংক্রান্ত চিঠিটি পোস্ট করেন। এর মাধ্যমে তিনি কার্যত এই ‘অপকর্মে’ নিজে জড়িত নন বলে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন।

ঐচ্ছিক তহবিলের তালিকায় সংসদ সদস্যের মেয়ের নাম থাকা এবং তা দুই দুইবার, বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তোলে। এই সংক্রান্ত প্রতিবেদনটি সুবর্ণভূমি অনলাইন এবং রোববারের পত্রিকায় শীর্ষ খবর হিসেবে প্রকাশিত হয়।

সংসদ সচিবালয়ের অর্থ শাখা-২ থেকে ইস্যু করা ১৮ জুন ২০২৬ তারিখের একটি পত্রে দেখা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্যের ঐচ্ছিক তহবিল থেকে মোট এক লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা দশজনের নামে অনুদান মঞ্জুরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তালিকায় এক নম্বরে হবোখালী এলাকার ফাইজা, পিতা মো. বাচ্চুর নামে দশ হাজার টাকা এবং আট নম্বরে ফাইজা, পিতা মো. আতাউরের নামে আরও দশ হাজার টাকা অনুদানের উল্লেখ রয়েছে। এ দুই নামের নারী সংসদ সদস্যের মেয়ে। তার পিতার ক্ষেত্রে দুইবার দুই নাম ব্যবহার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সংসদ সদস্য আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, একজন সংসদ সদস্য বছরে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহারের জন্য ঐচ্ছিক তহবিল পান। তিনি শপথ নেওয়ার পর চলতি অর্থবছরে তার আসনের জন্য মোট এক লাখ ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদ সচিবালয়ে তালিকা জমা দেওয়ার তাগিদ থাকায় তিনি ব্যক্তিগত সহকারীকে (পিএস) বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নাম সংগ্রহ করে জমা দিতে বলেন। তার ভাষ্য, পিএস পরে পরিচিত কয়েকটি নাম দিয়ে তালিকা জমা দিয়েছেন, কিন্তু তিনি তালিকাটি দেখার সুযোগ পাননি।

সংসদ সদস্য আরও বলেন, এখনও তিনি ওই অর্থ হাতে পাননি এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের তালিকা অনুযায়ী পরবর্তীতে অনুদান বিতরণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নতুন তালিকা পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।

সমালোচনার বিষয়ে আতাউর রহমান বাচ্চু বলেন, ‘জনগণের হকের একটি পয়সাও আমি বা আমার পরিবারের কেউ আগামী পাঁচ বছরে স্পর্শ করবে না। যারা আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করছেন, তাদের জন্যও আমার অফুরন্ত দোয়া রইলো।’

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)