স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
ডিজিটাল লেনদেনের প্রসার ও নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমাতে যশোরের শার্শায় ‘বাংলা কিউআর সম্প্রসারণ বিষয়ক সচেতনতামূলক সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভার শুরুতে বাংলা কিউআর ব্যবহারে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শার্শা উপজেলা অডিটোরিয়ামে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) এই সভার আয়োজন করে। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের মাঝে বাংলা কিউআরের ব্যবহার, সুবিধা এবং নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার যুগ্ম পরিচালক সোহেল নওরোজ।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ ও তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন ইউসিবি পিএলসির হেড অব ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন গোলাম ইয়াজদানী।
বক্তব্যে সোহেল নওরোজ বলেন, বাংলা কিউআরের মাধ্যমে লেনদেন ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের যাত্রাকে আরও বেগবান ও আধুনিক করবে। এর ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্যাশলেস লেনদেনের প্রবণতা বাড়ানো সম্ভব।
গোলাম ইয়াজদানী তার উপস্থাপনায় বাংলা কিউআরের বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সুবিধা, ক্যাশলেস লেনদেন প্রক্রিয়া ও ব্যাংকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহারের মাধ্যমে কীভাবে সহজে ও নিরাপদে ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করা যায়, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এর আগে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউসিবি যশোর শাখার ব্যবস্থাপক কে এম আনিসুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউসিবি পিএলসির রিলেশনশিপ অফিসার সারা ইসলাম বিথী।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউসিবি পিএলসির ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন বিভাগের নেছার উদ্দিন, যশোর অঞ্চলের রিজিওনাল হেড মনজুর আহমেদ, ঝিনাইদহ শাখার ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলামসহ ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের অংশগ্রহণে বাংলা কিউআরের বাস্তব প্রয়োগ এবং লেনদেনের নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি প্রশ্নোত্তর ও উন্মুক্ত মতবিনিময় পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে স্থানীয় আগ্রহী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীদের হাতে তাৎক্ষণিকভাবে বাংলা কিউআর কোড সম্বলিত ডিসপ্লে বোর্ড তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানায়, ডিজিটাল আর্থিক সেবার প্রসার এবং প্রান্তিক পর্যায়ে ক্যাশলেস লেনদেনের অভ্যাস গড়ে তুলতে ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম দেশব্যাপী অব্যাহত থাকবে।