যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

সক্ষমতার তুলনায় অনেক পিছিয়ে মোংলা বন্দর

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশ : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৭:১৩ পিএম
আপডেট : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৯:৫৯ পিএম
সক্ষমতার তুলনায় অনেক পিছিয়ে মোংলা বন্দর

বছরে দেড় লাখ টন কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা থাকলেও দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মোংলায় গত অর্থবছরে হ্যান্ডলিং হয়েছে ৯৯ লাখ ৫০ হাজার টন। এছাড়া বছরে এক লাখ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষমতার বিপরীতে হ্যান্ডলিং হয়েছে মাত্র ১৯ হাজার ৭৯৪ টিইইউএস। তবে সক্ষমতার চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও আগের অর্থবছরের তুলনায় কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং বেড়েছে। একই সঙ্গে গত অর্থবছরে ৩৪৮ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে বন্দরটি ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) খালিশপুরের পোর্ট অডিটোরিয়ামে খুলনায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানান মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা।

বন্দর চেয়ারম্যান জানান, বছরে প্রায় দেড় হাজার জাহাজ হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা থাকলেও গত অর্থবছরে এসেছে মাত্র ৮১৫টি জাহাজ। অর্থাৎ কার্গো, জাহাজ ও কনটেইনার—তিন ক্ষেত্রেই সক্ষমতার একটি বড় অংশ অব্যবহৃত রয়ে গেছে। সক্ষমতা পুরোপুরি কাজে লাগাতে অবকাঠামো ও নৌপথ উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

চ্যানেলের নাব্য সংকটকে বন্দরের বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমানে চ্যানেলের গভীরতা ৬ দশমিক ৫ মিটার। লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫ মিটার বজায় রাখতে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে পাঁচ বছর মেয়াদি মেইনটেন্যান্স ড্রেজিং শুরু হয়েছে। ড্রেজিংয়ের ব্যয় কমাতে নদীশাসনের উদ্যোগের পাশাপাশি রামপাল পর্যন্ত পশুর চ্যানেল ড্রেজিংয়ে ৭৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প চলমান রয়েছে।

মোংলা বন্দরকে স্মার্ট বন্দরে রূপান্তর ও আধুনিকায়নে প্রায় চার হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় দুটি কনটেইনার টার্মিনাল, ডেঞ্জারাস কার্গো ইয়ার্ড এবং আধুনিক পণ্য হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া বন্দর ব্যবহারকারীদের সুবিধার্থে ওয়ানস্টপ সার্ভিস ও অনলাইন পেমেন্ট চালু করা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে 'ই-পেপার সার্ভিস' উদ্বোধন করা হবে।

যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা নিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, ৫০০ মিটার রেললাইন সম্প্রসারণ করা গেলে বন্দরের পণ্য সরাসরি পরিবহনের সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি ঢাকা-মোংলা চার লেন সড়ক এবং খুলনাঞ্চলে বিমানবন্দর নির্মাণ করা হলে বন্দরকেন্দ্রিক বিনিয়োগ আরও বাড়বে।

মতবিনিময় সভায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)