স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
জাতীয় এসএমই নারী উদ্যোক্তা সামিট-২০২৬-এ সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে সম্মাননা পেয়েছেন যশোরের মরিয়ম নার্গিস।
খুলনা বিভাগের প্রতিনিধি হিসেবে তাকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের (বিআইএম) প্রাঙ্গণে আয়োজিত সামিটের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি তার হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশের আট বিভাগের আটজন সফল নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
শিল্পসচিব ও এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপারসন আব্দুন নাসের খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও এসএমই ফাউন্ডেশনের পরিচালক পর্ষদের সদস্য নূরুজ্জামান এনডিসি এবং বিআইএমের মহাপরিচালক সলিমউল্লাহ।
সামিটের উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপট তুলে ধরে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএমই ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা খান।
ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নাজিম হাসান সাত্তার।
অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণে সহায়তার জন্য ডিসপ্লে সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সভাপতির বক্তব্যে শিল্পসচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, একজন নারী উদ্যোক্তার সাফল্য অন্য নারীদের জন্য পথপ্রদর্শক হতে পারে।
নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক ঋণপ্রাপ্তি এবং উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারে এসএমই ফাউন্ডেশন সহায়তা করবে বলেও জানান তিনি।
সম্মাননাপ্রাপ্ত অন্য উদ্যোক্তারা হলেন-ঢাকা বিভাগের সাগুফতা সুলতানা (রাজবাড়ী), চট্টগ্রাম বিভাগের মঞ্জুলিকা চাকমা (রাঙামাটি), রাজশাহী বিভাগের আফরোজা আজিজ মুন্নি (রাজশাহী), বরিশাল বিভাগের বিলকিস আহমেদ লিলি (বরিশাল), ময়মনসিংহ বিভাগের হেনা খাতুন (জামালপুর), রংপুর বিভাগের উম্মে কুলসুম পপি (রংপুর) এবং সিলেট বিভাগের শান্তনা (সিলেট)।
সামিট উপলক্ষে এসএমই ফাউন্ডেশন পণ্য মেলা ও ক্রেতা-বিক্রেতা ম্যাচমেকিংয়েরও আয়োজন করে।
এতে দেশের বিভিন্ন এলাকার সম্ভাবনাময় প্রায় ৬০ জন নারী উদ্যোক্তার উৎপাদিত পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়।
মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকার কথা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
এ খাতের নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করা এবং তাদের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে এ ধরনের আয়োজন কার্যকর ভূমিকা রাখবে।