সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
আজ থেকে শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মালম্বীদের মনসা পূজা ও বিশ্বকর্মা পূজা। এ উপলক্ষে সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল মনসাতলার বটগাছতলা মহা মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সূর্য ওঠার সাথে সাথে পূজা-অর্চনার মধ্যদিয়ে সাতক্ষীরা শহরে পলাশপোল গুড়পুকুর মনসাতলায় বটগাছতলায় পূজা ও বিশ্বকর্মা পূজা শুরু হয়।
এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পলাশপোল গুড়পুকুর পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক গৌর দত্ত, সদস্যসচিব তপন হালদার, পলাশপোল মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার বসু।

এছাড়াও পুরোহিত হিসেবে পূজা অর্চনা করেন পরিতোষ চক্রবর্তী, সহকারী পুরোহিত তাপস চক্রবর্তীসহ পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীরা।
প্রতিবছর ১৭ সেপ্টেম্বর কন্যা সংক্রান্তি বা ভাদ্র মাসের শেষ দিনে বিশ্বকর্মা পূজা পালিত হয়।
হিন্দু ধর্মের অন্যান্য পূজা চাঁদের গতির ওপর নির্ভর করে হলেও, বিশ্বকর্মা পূজা নির্ধারিত হয় সূর্যের গতির ওপর
কন্যা সংক্রান্তির এই দিনে সূর্য সিংহ রাশি থেকে কন্যা রাশিতে প্রবেশ করে। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী এটি ভাদ্র সংক্রান্তি বা ভাদ্র মাসের শেষ দিন।

সাধারণত বাংলা পঞ্জিকার প্রথম পাঁচ মাস মিলিয়ে ১৫৬ দিন হয়, যা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর পড়ে। তাই প্রায় প্রতিবছর এই দিনেই দেবশিল্পীর আরাধনা করা হয়। তবে কোনো বছর মাসের দিনের তারতম্য হলে এটি ১৮ সেপ্টেম্বরও হতে পারে।
হিন্দু ধর্মালম্বীদের মতে দেবশিল্পী ভগবান বিশ্বকর্মা হলেন মহাবিশ্বের প্রথম স্থপতি বা প্রকৌশলী তিনি ঐশ্বরিক স্থপতি বা দেবশিল্পী। দেবতাদের নানা অস্ত্র, প্রাসাদ ও পুরীর জগন্নাথ মূর্তি নির্মাণ করেছিলেন। কারিগর, শিল্পী, শ্রমিক ও প্রকৌশলীরা তাদের কাজের যন্ত্রাংশ, গাড়ি এবং যন্ত্রপাতি পুজো করে জ্ঞান, দক্ষতা ও সমৃদ্ধি প্রার্থনা করেন।