যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশকে মারধরের অভিযোগ যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে

মাগুরা প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
মাগুরায় ট্রাফিক পুলিশকে মারধরের অভিযোগ যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে

Subornovumi সাবেক যুবলীগ নেতা মীর আবু সাঈদ- ফাইল ছবি:

মাগুরায় কামরুল ইসলাম নামে এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড় দিয়ে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে সাবেক যুবলীগ নেতা ও বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মীর আবু সাঈদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে শহরের মিরপাড়া মোড় এলাকায় একটি ‘স’ মিলের সামনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। এ ঘটনার একটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

অডিওতে শোনা যায়, ঘটনার সময় পুলিশ সদস্য কামরুল ইসলাম সেখানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দোতলা ভবন থেকে মীর আবু সাঈদ সেখানে কে বসে আছেন জানতে চান। জবাবে কামরুল নিজেকে পুলিশ সদস্য হিসেবে পরিচয় দেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, পরিচয় দেওয়ার পরও আবু সাঈদ নিচে এসে কামরুলকে গালিগালাজ করেন এবং একপর্যায়ে চড়-থাপ্পড় মারেন। পরে তিনি এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে কামরুলের কাছে ক্ষমা চান এবং গাড়ি নিয়ে সেখান থেকে চলে যান।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে মীর আবু সাঈদ হোয়াটসঅ্যাপে বলেন, ঘটনাটি মিথ্যা এবং এর কোনো প্রমাণ নেই। তবে অডিও ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি জানানো হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ জানান।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুর রহমান খান পিকুল বলেন, ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক পরিচয়কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তার দাবি, এর আগে মাগুরায় এক সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ সদস্যকে মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। তবে বর্তমান ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আগে ঘটনাটি জানি, তারপর জানাব। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে পরবর্তী কোনো বক্তব্য বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, অভিযুক্ত মীর আবু সাঈদ ১৮টি মামলার আসামি। ৪১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জামিনে মুক্ত রয়েছে। জেলা পুলিশের তালিকায় এক নম্বর শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)