যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বসতভিটা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়লেন ইবি শিক্ষার্থী

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : শুক্রবার, ২ অক্টোবর,২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
আপডেট : শুক্রবার, ২ অক্টোবর,২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
বসতভিটা না থাকায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বাদ পড়লেন ইবি শিক্ষার্থী

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী মিশন আচার্য। তবে স্থায়ী ঠিকানায় নিজের নামে কোনো বসতভিটা না থাকায় শেষ পর্যন্ত নিয়োগ থেকে বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

মিশন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কলাবাগান এলাকায় মায়ের কাছে বড় হয়েছেন তিনি।

মিশন আচার্য জানান, তার বাবা বহু বছর আগে পরিবার ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে মায়ের সঙ্গে ঝিনাইদহে ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন তিনি। কলাবাগান এলাকাতেই তাঁর জন্ম এবং সেখানেই বেড়ে উঠেছেন।

তিনি জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে ১৮২ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৮০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। দুজন নিয়োগপত্র পাননি। তাদের একজনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং অপরজন তিনি।

উপজেলা পর্যায়ে ১৭তম স্থান অর্জন করেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মিশন আচার্যের দাবি, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে জমিজমা-সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে—এমন ধারণা থেকে তার খালু গ্রামে তার নামে দুই শতক জমি লিখে দেন। পুলিশ তদন্তের সময় তিনি ওই জমির দলিলও জমা দেন। তবে সেখানে তার কোনো বসতবাড়ি নেই এবং তিনি কখনো ওই জমিতে বসবাস করেননি।

তিনি আরও জানান, পুলিশের কাছে প্রথমে ভূমিহীন সনদ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে জমির দলিল জমা দিলেই হবে বলে জানানো হয়। সে অনুযায়ী তিনি দলিল জমা দেন। পরে স্থায়ী ঠিকানায় বসতভিটা না থাকায় তাকে নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মিশন বলেন, আমার মা বাসাবাড়িতে কাজ করে আমাকে বড় করেছেন এবং আমাদের আর্থিক অবস্থা খুবই শোচনীয়। আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নই। সরকারের কাছে চাকরিটি ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানাই।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, আমার কি দোষ? ভাড়া বাসায় জন্মেছি, এটাই কি আমার দোষ? রাষ্ট্র আমার ভোট নিচ্ছে, আমাকে খাওয়াচ্ছে, পড়াচ্ছে, কিন্তু চাকরি দিচ্ছে না। মনে হচ্ছে, রাষ্ট্রের কাছে আমার মেধা ও পরিশ্রমের চেয়ে জমিজমার মূল্য বেশি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মিশন আচার্যের নিয়োগের বিষয়ে স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে একটি জটিলতা দেখা দিয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে ইতিমধ্যে বিষয়টি লিখিতভাবে শিক্ষা অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি, বিষয়টি সমাধান হবে।’

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)