গোলাম মোস্তফা
, যশোর
পহেলা বৈশাখ উৎসব শুধু বড়দের নয়, শিশুদেরও। তাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে তাকে গোটা অনুষ্ঠানস্থল।
সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো তাদের অনুষ্ঠানমালায় শিশুদের নৃত্য, গান, আবৃত্তি, কৌতুক ইত্যাদি অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। এসব অনুষ্ঠানে শিশুদের উচ্ছ্বাস, গান, নাচ এবং রঙতুলির ছোঁয়া পুরো আয়োজনকে এক অন্যরকম সজীবতা দেয়।
সাংস্কৃতিক সংগঠন উৎকর্ষ, যশোর শিশুদের চারটিসহ সাতটি নৃত্য রেখেছে। এছাড়া ১৫টি গানের মধ্যে শিশুদের জন্য পাঁচটি গান রেখেছে। শিশুদের নৃত্য ও সুরের ছোঁয়ায় উৎকর্ষের আয়োজন সমৃদ্ধি হবে।
নৃত্যের তালে তালে অনুষ্ঠিত হবে, ‘ভালো করে বাজান গো দোতরা’ গানটি। যা উপস্থিত দর্শকদের মনে দোলা দিয়ে যাবে। এ গানটি গ্রামবাংলার এক অপূর্ব লোকসংগীত। এভাবে গ্রামীণ ঐতিহ্য ও লোকজ শিল্পকে ধরে রাখতে সাজানো হয়েছে আরো কিছু যাদুকরি গান। যা নৃত্যের তালে তালে দর্শকদের কাছে টানবে। সেগুলো হলো ‘তোকে নিয়ে পালাই যাবে রে’ ‘বন্ধু বিনে প্রাণ বাঁচে না’ ‘মনের কথা বল সখী’ ‘ধীন ধীন তা’ ইত্যাদি। শোভাযাত্রায় অংশ নিচ্ছে উৎকর্ষের বন্ধুরা। সেখানে বিভিন্ন ধরনের মুখোশ তৈরি করা হচ্ছে। মুখোশে থাকছে গ্রামীণ সমাজের অনুষঙ্গ। নিজস্ব কার্যালয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে তারা সমানে কাজ করে চলেছেন।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার সাহা জানান, এবারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ‘আগামীর পৃথিবী গড়ি ভালোবাসার ছোঁয়ায় শিশুর হাসি ফুটুক সবুজের মায়া’- প্রতিপাদ্য ধারণ করে বিশ্বব্যাপী শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে মিষ্টিমুখ, শোভাযাত্রা এবং বৈশাখী অনুষ্ঠান। পহেলা বৈশাখে সকাল নিজস্ব কার্যালয়ে মিষ্টিমুখ এবং ১৭ এপ্রিল পৌর উদ্যানে বৈশাখী অনুষ্ঠান। বৈশাখী অনুষ্ঠানে নৃত্য ও গানের সাথে থাকছে তিনটি আবৃত্তি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার মধ্যে শেষ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে তিনি শিশুদের নিরাপদ রাখার আহবান জানান।