সম্পাদকীয়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ২৭ এপ্রিল যশোর সফর করতে চলেছেন। এটি তার দ্বিতীয় যশোর সফর। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি নির্বাচনি জনসভায় ভাষণ দিতে এসেছিলেন। সেদিন তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, পুনরায় এসে পিতার স্মৃতিবিজড়িত উলাশী খাল পুনঃখননের কাজ শুরু করবেন।
যশোরের শার্শা উপজেলায় অবস্থিত উলাশী-যদুনাথপুর খালটির বিশেষত্ব আছে। এই খাল খননের মাধ্যমেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশব্যাপী তার ঐতিহাসিক খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন। পিতার সেই পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখন সেই খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছেন। এটি শুধু শহীদ রাষ্ট্রপতির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নয়, বরং কৃষি ও পরিবেশের জন্য একটি যুগান্তকারী কর্মসূচিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
২৭ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী উলাশী খাল পুনঃখননের পাশাপাশি যশোর মেডিকেল কলেজের ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। যশোরবাসীর দীর্ঘদিনের আকাক্সক্ষা পূরণে এই হাসপাতালটি অত্যাধুনিক স্বাস্থ্যসেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। ওই দিন বিকেলে শহরের কেন্দ্রস্থলে জনসভায় ভাষণ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের ভাষণে নিশ্চয় এখানকার আর্থসামাজিক উন্নয়নের দিকনির্দেশনা থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফর যশোরের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রাখবে- এমনটিই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। খাল পুনঃখননের ফলে ফসলি জমিতে সেচের সুবিধা বাড়বে, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর উন্নত হবে এবং বন্যা বা জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমবে। অন্যদিকে, বড় মাপের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জটিল রোগের চিকিৎসা স্থানীয়ভাবে করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। যশোরবাসী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যশোর আগমন প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকতে পারে। জিয়াউর রহমান অনুসৃত মাটি-মানুষের রাজনীতির যোগ্য উত্তরসূরির এই সফর সফল হোসেন। স্বাগত প্রধানমন্ত্রী, স্বাগত তারেক রহমান।