যশোর, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

১৭ কোটির কথিত প্লাটিনামের লোভে ৬৭ লাখ টাকা খোয়া

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : সোমবার, ২৪ আগস্ট,২০২৬, ০৭:০৩ পিএম
আপডেট : সোমবার, ২৪ আগস্ট,২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
১৭ কোটির কথিত প্লাটিনামের লোভে ৬৭ লাখ টাকা খোয়া

১৭ কোটি টাকা মূল্যের কথিত প্লাটিনাম বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে ৬৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শরিফুল ইসলাম নামে এক যুবককে আটক করেছে যশোর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে ঝিকরগাছা থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন উপজেলার শিওরদাহ গ্রামের বাসিন্দা ও সিটি ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবার এজেন্ট সোহরাব হোসেন পিন্টু।

এসআই দেবব্রত ঘোষের নেতৃত্বে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ঢাকার রমনা এলাকা থেকে শরিফুল ইসলামকে আটক করে। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আলিপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোহরাব হোসেনের প্রতিষ্ঠানে মামুনসহ তিনজন কর্মচারী কাজ করেন। মামুন প্রায় তিন বছর ধরে সেখানে কর্মরত। গত ৭ আগস্ট মামুন তার পূর্বপরিচিত শরিফুল ইসলামের কাছ থেকে জানতে পারেন, শরিফুলসহ কয়েক ব্যক্তি একটি মূল্যবান ধাতব পদার্থ পেয়েছেন। তাদের দাবি ছিল, সেটি প্লাটিনাম, যার বাংলাদেশি বাজারমূল্য প্রায় ১৭ কোটি টাকা।

শরিফুল মামুনকে জানান, কথিত ওই ধাতব পদার্থ বিক্রির জন্য তারা একজন বিশ্বস্ত ক্রেতা খুঁজছেন। বিষয়টি মামুন তার কর্মস্থলের মালিক সোহরাব হোসেনকে জানান।

এরপর গত ১০ আগস্ট শরিফুলসহ কয়েকজন সোহরাব হোসেনের বাড়িতে যান। সেখানে কথাবার্তার একপর্যায়ে একটি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয়, ওই ব্যক্তি কথিত ধাতব পদার্থটি কিনবেন এবং নগদ টাকা দিয়ে বাড়ি থেকেই তা নিয়ে যাবেন।

অভিযোগে বলা হয়, কথিত ওই ধাতব পদার্থটি সংগ্রহ করতে ৭২ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। পরে ১৭ কোটি টাকায় বিক্রি করে লাভের অর্থ ভাগাভাগি করার প্রলোভন দেওয়া হয়। এ প্রলোভনে সোহরাব হোসেন ও মামুন বিভিন্ন মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করে আসামিকে ৬৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেন।

গত ১৯ আগস্ট কথিত ধাতব পদার্থ আনতে সোহরাব হোসেন সাতক্ষীরায় গেলে শরিফুল তাকে একটি প্লাস্টিকের বক্স দিয়ে চলে যান। যাওয়ার সময় বাড়িতে গিয়ে বক্সটি খুলতে বলা হয়। পরে বাড়িতে ফিরে বক্স খুলে ভেতরে একটি ইটের টুকরা দেখতে পান সোহরাব হোসেন।

এরপর প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের কাছে অভিযোগ করেন। পুলিশ সুপারের নির্দেশে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে শরিফুলকে আটক করে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) শরিফুল ইসলামকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)