যশোর, বাংলাদেশ || সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

দুইদিনে যশোরে তিন বাড়িতে চুরি, একজন আটক

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : সোমবার, ৫ অক্টোবর,২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম
আপডেট : সোমবার, ৫ অক্টোবর,২০২৬, ০৮:৪৭ পিএম
দুইদিনে যশোরে তিন বাড়িতে চুরি, একজন আটক

যশোরে একজন কলেজশিক্ষকসহ ৩ ব্যক্তির বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা ওই তিনটি বাড়ি থেকে মোট ২১ ভরি সোনার অলংকার, আট ভরি রুপার অলংকার ও নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। পুলিশ একটি চুরির মামলা নিয়েছে এবং ওই মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে আটক করেছে।

সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের বোলপুর গ্রামের বাসিন্দা যশোর বিএএফ শাহিন কলেজের সিনিয়র শিক্ষক গাজী আবুল কালাম আজাদের অভিযোগ, গত ২৮ সেপ্টেম্বর তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন পিতার বাড়িতে বেড়াতে যান। বাড়িতে তিনি ও তার ছেলে জিএম ছামি বাড়িতে ছিলেন। পরদিন ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টার দিকে ঘরে তালা দিয়ে তিনি এবং তার ছেলে কলেজে যান। ছয় ঘণ্টা পর দুপুর একটার দিকে তারা ফিরে এসে প্রাচীরের গেট খুলে দেখতে পান, বাড়ির প্রধান দরজার তালা ভাঙ্গা।

অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তরা ঘরের ভেতর ঢুকে আলমারির তালা ভেঙ্গে নগদ এক লাখ টাকা ও ১৪ ভরি সোনার অলংকার চুরি করে নিয়ে গেছে। এছাড়া দুর্বৃত্তরা তাদের রান্নাঘরের দা, বটি ও কোদাল ঘরের সোফার ওপর রেখে দিয়েছে।

এদিকে সদর উপজেলার এড়েন্দা গ্রামের বাসিন্দা মদন রায় ও তার ভাই মাধব রায়ের বাড়িতে গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ওই দুই বাড়ির পরিবারের সদস্যদের কৌশলে অচেতন করে নগদ এক লাখ ৫৭ হাজার টাকা, সাত ভরি সোনার অলংকার ও আট ভরি রুপার অলংকার লুট করে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মদন রায়ের ছেলে হৃদয় রায় চারজনকে সন্দেহভাজন আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন।

আসামিরা হলেন, এড়েন্দা গ্রামের আহাদ আলী মনি (২০), কুলসুম বেগম (৪০), জিসান (২২) ও হাসিব (২২)।

হৃদয় রায়ের অভিযোগ, তাদের এবং তার কাকা মাধব রায়ের বাড়ি পাশাপাশি। গত ৩০ সেপ্টেম্বর তারা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে যান। পরদিন ১ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে ঘুম ভাঙ্গলে তিনি অসুস্থ বোধ করেন। পরে পাশের ঘরে গিয়ে দেখতে পান, তার বাবা ও মা বেহুঁশ অবস্থায় ঘুমিয়ে আছেন। ওই ঘরের স্টিলের আলমারি খোলা এবং মালামাল তছনছ অবস্থায় পড়ে আছে। তখন তিনি তার বাবা ও মাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন।

এরপর খোঁজ নিয়ে দেখেন, আলমারিতে রাখা নগদ এক লাখ ৫৭ হাজার টাকা, চার ভরি সোনার অলংকার ও পাঁচ ভরি রুপার অলংকার চুরি হয়ে গেছে। পরে রান্নাঘরে গিয়ে দেখতে পান, সেখানকার জানালার গ্রিল ভাঙা।

পরে তিনি পাশের কাকা মাধব রায়ের বাড়ি গিয়ে দেখেন তারাও বেহুঁশ অবস্থায় ঘুমিয়ে আছেন। তাদের সিঁড়িঘরের দরজা ভাঙা দেখতে পাওয়া যায়। তার কাকার ঘরে থাকা আলমারি খোলা অবস্থায় ছিলো। ঘরের ভেতর মালামাল তছনছ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।

তিনি তার কাকা ও কাকিকে ঘুম থেকে ডেকে তুললে তারা জানান, আলমারিতে তিন ভরি সোনার ও তিন ভরি রুপার অলংকার ছিলো। যা চুরি হয়ে গেছে। এ ঘটনায় একই গ্রামের আহাদ আলী মনি, কুলসুম বেগম, জিসান ও হাসিব জড়িত থাকতে পারে বলে তারা সন্দেহ করছেন।

পুলিশ জানায়, মদন রায় ও মাধব রায়ের বাড়িতে চুরির সাথে জড়িত হিসেবে সন্দেহভাজন আসামি আহাদ আলী মনিকে সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে চাঁচড়া মোড় থেকে আটক করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার এসআই শেখ আশরাফুল আলম। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)