স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোরে আলাদা চারটি মামলায় পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন একদিনের সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালত। সোমবার (৫ অক্টোবর) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল পুলিশের প্রতিবেদনের ওপর শুনানি এবং আসামিরা নিজেদের দোষ স্বীকার করায় এই সাজা প্রদান করেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—শহরের বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক মোড় এলাকার ভাড়াটিয়া মৃত হাশেম আলীর ছেলে ইসরাফিল; শহরতলীর বিরামপুর কালীতলা এলাকার সোহরাব হোসেনের ছেলে সোহেল হোসেন বাবু, একই এলাকার জাফর শেখের ছেলে মোহন শেখ ও মৃত গোলাম সাদেক খানের ছেলে মোহাম্মদ আলী এবং পুরাতন কসবা ঢাকা রোড এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে ইয়াছিন আরাফাত পলাশ। সাজাপ্রাপ্ত সবাইকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আদালত ও মামলা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য:
থাইগ্লাস চুরির দায়ে
সোমবার সকালে শহরের মাইকপট্টি এলাকার ল্যাব স্ক্যান মেডিকেল সার্ভিসের ভবনের ছাদের জানালার থাইগ্লাস চুরির সময় স্থানীয় জনতা ইসরাফিল হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় করা মামলার প্রতিবেদনসহ ইসরাফিলকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। শুনানি শেষে আসামি দোষ স্বীকার করায় বিচারক তাকে ৩ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
ইয়াবাসহ আটক
রোববার রাতে কোতোয়ালি থানা-পুলিশ শহরের জেল রোড এলাকা থেকে সোহেল হোসেন বাবুকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে দুই পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এই মামলার প্রতিবেদনসহ সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন। বিচারক তাকে দুই মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
গাঁজাসহ আটক
রোববার পুলিশ শহরের চৌরাস্তা মোড়ের সোনালী ব্যাংকের পেছনের ফাঁকা জায়গা থেকে ইয়াসিন আরাফাত পলাশকে এক পুরিয়া গাঁজাসহ আটক করে। সোমবার পুলিশ তাকে আদালতে সোপর্দ করলে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাকে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড, এক হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।
সিসি ক্যামেরা চুরির দায়ে
গত ৩০ সেপ্টেম্বর পুলিশ শহরতলীর বিরামপুর এলাকা থেকে মোহন শেখ ও মোহাম্মদ আলীকে আটক করে। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একটি বাড়ির রাইস কুকারের ভেতর লুকিয়ে রাখা তিনটি সিসি ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়। আসামিরা বিরামপুর কালীতলা এলাকার আরিফুর রহমান বাদলের বাড়ি থেকে এই সিসি ক্যামেরাগুলো চুরি করেছিল বলে স্বীকার করে।
সোমবার এই মামলার প্রতিবেদনের ওপর শুনানি ও আসামিরা দোষ স্বীকার করায় বিচারক তাদের প্রত্যেককে তিন মাস করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।