যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

দাফনের ছয়মাস পর মরদেহ উত্তোলন, স্ত্রীসহ দুইজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি

প্রকাশ : বুধবার, ১৪ অক্টোবর,২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম
দাফনের ছয়মাস পর মরদেহ উত্তোলন, স্ত্রীসহ দুইজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় দাফনের প্রায় ৬ মাস পর মফিজার মোল্যা নামে এক কৃষকের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে করা মামলার দেড় মাস পর তার মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার কাশীপুর ইউনিয়নের ঈশানগাতী কবরস্থানে দাফনকৃত মরদেহটি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সেবক মন্ডল ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (এসআই) কুমারেশ বিশ্বাস ও অন্যান্য পুলিশের উপস্থিতিতে কবর থেকে উত্তোলন করা হয়।

মৃত মফিজারের মেয়ে মনিকা বেগম অভিযোগ করেন, 'তার মায়ের পরকীয়া সম্পর্কের জেরে তার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার কয়েকদিন পর তার মা ও মশিয়ার রহমান বিয়ে করলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।’ এরপর ২৯ আগস্ট দুপুরে আলোচনা ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন ফাতেমা বেগম ও মশিয়ার রহমানকে আটক করেন। এ সময় উত্তেজিত জনতা তাদের মারধর করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তাদের লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানায় নেওয়া হয়।

একই দিন দিবাগত রাতে নিহত মফিজার মোল্যার মেয়ে মনিকা বেগম বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় মামলা করেন। মামলায় তার মা ফাতেমা বেগম ও মশিয়ার রহমানের নাম উল্লেখ করে আরও ২ থেকে ৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। এ মামলায় মফিজার মোল্যার স্ত্রী ফাতেমা বেগম এবং নিহতের বেয়াই একই গ্রাম ঈশানগাতীর শওকত রহমানের ছেলে মশিয়ার রহমানকে গ্রেফতার দেখিয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশ তাদের আদালতে পাঠায়।

ওই সময়ে সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া বক্তব্যে ফাতেমা বেগম ও মশিয়ার রহমান বালিশ চাপা দিয়ে মফিজার মোল্যাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তাদের ভাষ্য, গত ২৬ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টার দিকে তারা মফিজারকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করেন।

হত্যার কারণ জানতে চাইলে ফাতেমা বলেন, তিনি স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে চাননি। এ কারণে মশিয়ারকে সঙ্গে নিয়ে তার স্বামীকে হত্যা করেন। তবে পরে তারা মফিজারের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন এবং পরদিন সকালে তার মরদেহ দাফন করা হয় বলে জানান।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, প্রথমত এটা ইউডি মামলা হয়েছিল, পরে এই বিষয়ে তথ্য উদ্‌ঘাটনে জানা যায়, যে এটি হত্যা এবং বর্তমান এটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়েছে। আদালতের অনুমতিক্রমে মরদেহটি উত্তোলন করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)