অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগরে চতুর্থ শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমরান হোসেন (৩৫) নামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে শিশুটির বাবা বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এই মামলাটি দায়ের করেন।
অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেন উপজেলার বুইকারা গ্রামের মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে এবং বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। ঘটনার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।
নির্যাতিত স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, তার মেয়ে বাহিরঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী। গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে টিফিনের সময় সে স্কুলের পাশে বাথরুমে যায়।
ওই সময় সহকারী শিক্ষক ইমরান হোসেন বাথরুমে ঢুকে তাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি রক্তাক্ত জখম হয়। বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেওয়ায় সে ভয়ে ক্লাসে না গিয়ে বাড়িতে চলে যায়।
পরদিন মঙ্গলবার সকালে শিশুটি তার মাকে ঘটনাটি খুলে বলে। মেয়ের অবস্থা দেখে মা বিষয়টি বাবাকে জানালে দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) অবহিত করা হয়। পরে রাতে মামলা দায়ের করা হয়। শিশুটির বাবা অভিযুক্ত শিক্ষক ইমরান হোসেন এবং তাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান বলেন, মঙ্গলবার রাতে ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শিক্ষক ইমরান হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন (মামলা নম্বর-১৭)।
‘ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক আত্মগোপনে রয়েছেন। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে,’ বলেন ওসি।