মাগুরা প্রতিনিধি
মাগুরা পৌর যুবদল নেতা শাকের হোসেন হত্যার বহুল আলোচিত মামলায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মারুফ হোসেনসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। লুট করা সোনা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে শাকেরকে হত্যা করা হয় বলে তথ্য দিয়েছেন আসামিরা।
মাগুরার পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, যুবদল নেতা শাকের হত্যা মামলায় ৯৫ ভাগ অগ্রগতি হয়েছে। অচিরেই প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে হত্যার মূল কারণ উন্মোচন করা হবে। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার আসামিদের স্বীকারোক্তিতে পৌনে ছয়টি সোনার বার এবং ডাকাতিতে ব্যবহৃত গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। লুটের সোনা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে শাকের হত্যার ঘটনার অনেক মিল রয়েছে।
তিনি আরো জানান, গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদর উপজেলার রামনগর এলাকায় একটি বাস থেকে ১৪টি সোনার বার লুট হয়। ওই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদকে মঙ্গলবার ভোররাতে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও মাগুরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন, শামীমা তাবাসসুম লুবনা, মারুফা, রনি শিকদার, মিলটন, বসির, সোনা ব্যবসায়ী ফরিদ, ঝিনাইদহের সোনা ব্যবসায়ী অনিমেষ মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজন আসামি সোনা লুটের সাথে নিহত শাকেরসহ তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
গত ২১ অক্টোবর সকালে মাগুরা বাসটার্মিনালে রয়েল পরিবহনের একটি কাউন্টারে যুবদল নেতা শাকের হোসেনের মাথায় গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়।