কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
পৌর প্রশাসকের দু’দফা নির্দেশ অমান্য করে সরকারি জমিতে আবারও ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা একরামুস সালাম খান।
খবর পেয়ে সেই কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন কেশবপুরের পৌর প্রশাসক।
বৃহস্পতিবার সকালে শহরের মধ্যকুল বাস ও ট্রাকটার্মিনাল-সংলগ্ন জেলা পরিষদ ও ওয়াকফ সম্পত্তিতে পাকাঘর নির্মাণ করছিলেন কেশবপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একরামুস সালাম খান।
পৌরসভার সার্ভেয়ার ওমর ফারুক জানান, পৌরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রজবালী খার ছেলে একরামুস সালাম খান ও তার সহযোগী মণিরামপুর উপজেলার চিনাটোলা বাজার এলাকার নন্দলালসহ ৫-৬ জন জেলা পরিষদ ও ওয়াকফ সম্পত্তিতে কয়েকটি পাকাঘর নির্মাণ করছিলেন। খবর পেয়ে পৌর প্রশাসকের নির্দেশে সরকারি জমিতে ওই অবৈধ ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এছাড়া পহেলা জুন সালাম খান ওই জমিতে মার্কেট নির্মাণের কাজ করছিলেন। ওই সময় পৌর প্রশাসক ওই কাজ বন্ধসহ সকল অবৈধ স্থাপনা ভেঙে না নিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তা কার্যকর করার নোটিস দেন। যার স্বারক নম্বর-কেশব/পৌর/২০২৬/২৯৩ ও কেশবপুর/পৌর/২০২৬/২৯৫। তারপরও বৃহস্পতিবার ওই জমিতে আবারও ঘর নির্মাণের চেষ্টা করা হচ্ছিল।
পাঁচ মাস আগে কেশবপুর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একরামুস সালাম খান গং শহরের বাস ও ট্রাকটার্মিনাল-সংলগ্ন জেলা পরিষদ ও ওয়াকফ সম্পত্তি দখল করে সেখানে পৌর প্রশাসকের অনুমতি ছাড়াই ২৫টি দোকান ঘর নির্মাণ, গ্যারেজ ভাড়া দিয়ে প্রতিমাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আদায় করেন।
এ বিষয়ে জানতে একরামুস সালাম খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ‘ফোনে কোনো বক্তব্য দেবেন না’ বলে লাইন কেটে দেন।
কেশবপুর পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, ‘মধ্যকুল এলাকার একরামুস সালাম খান গং অনুমতি ছাড়াই সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণ করছিল। খবর পেয়ে আমরা কাজ বন্ধ করে দিয়েছি। এর আগে ওই জমিতে ঘর নির্মাণের কারণে দুই দফা নোটিস দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।’