যশোর, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

লাল কাপড়ে মোড়া ফাঁসির রায়ের নথি গেল উচ্চ আদালতে

মেহেরপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৬ জুন,২০২৬, ০৮:২৫ পিএম
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ জুন,২০২৬, ০৯:১০ পিএম
লাল কাপড়ে মোড়া ফাঁসির রায়ের নথি গেল উচ্চ আদালতে

মেহেরপুরে নয় বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাকিল হোসেনের আদেশের নথি ডেথ রেফারেন্স লাল কাপড়ে মুড়িয়ে পুলিশ পাহারায় উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে জেলা পুলিশের একটি দল ও নারী শিশু আদালতের অফিস সহকারী আহাদ হোসেন ফাঁসির রায়ের নথি লাল কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাকিল হোসেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আব্দাল হাসানের ছেলে।

ঢাকা হাইকোর্ট বেঞ্চ ও আপিল বিভাগ এই রায়ের নথি পর্যালোচনা ও শুনানি গ্রহণ শেষে ফাঁসি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করবেন বলে জানান মেহেরপুর নারী ও শিশু দমন এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।

মেহেরপুর নারী ও শিশু দমন এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিটর মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন জানান, সিআরপিসির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী নিম্ন আদালতে ফাঁসির রায়ের পর তা অনুমোদনের জন্য তিন কর্ম দিবসের মধ্য নথি লাল কাপড়ে মুড়িয়ে পুলিশি পাহারায় উচ্চ আদালতে পাঠানো বাধ্যতামূলক।

তিনি বলেন, ঈদের ছুটির পর আদালত খুললে আজ (মঙ্গলবার) সেটি পাঠানো হলো। এই নথি ঢাকা হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স বেঞ্চ ও আপিল বিভাগ রায়ের নথি পর্যালোচনার আগে সেখানে পেপার বুক তৈরি করে শুনানির জন্য পাঠানো হবে। উচ্চ আদালত শুনানিশেষে ফাঁসির রায় বহাল রাখা ও তা কার্যকর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কারা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করবেন।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মে দুপুর দেড়টার দিকে মেহেরপুর শিশু সহিংসতা দমন আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। দেশের ইতিহাসে ২৯ কার্যদিবসের মধ্য সশরীর ও ভার্চুয়ালি ভিডিওকলের মাধ্যমে তিন দিনে ১৩ জনের সাক্ষ্য জেরা জবানবন্দি গ্রহণ করেন আদালত।

মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৬ জুন গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের পঞ্চম শ্রেণিপড়ুয়া মেয়ে তার বাবাকে মাঠে খাবার দিতে যাওয়ার সময় শাকিল হোসেন শিশুটিকে হাসুয়া দেখিয়ে হত্যার ভয় দেখিয়ে পাশের পাটক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। শিশুর চিৎকারে সে পালিয়ে যায়। পরে মেয়েটি বাড়ি ফিরে তার পরিবারকে ধর্ষণের বিষয়টি জানালে গ্রামবাসী ধর্ষককে আটক করে পেটায়। পুলিশ উত্তেজিত মানুষের কাছ থেকে তাকে উদ্ধার ও আটক করে। পরে শিশুর বাবা গাংনী থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ ধর্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প্রেরণ করে।

আদালত শাকিল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড, তিন লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ডাদেশ দেন।

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)