যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

যশোরে আত্মরক্ষার্থে নারীর দায়ের কোপে আহত সন্ত্রাসী জিতুর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই,২০২৬, ০৮:৫১ এ এম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই,২০২৬, ০১:৫৬ পিএম
যশোরে আত্মরক্ষার্থে নারীর দায়ের কোপে আহত সন্ত্রাসী জিতুর মৃত্যু

যশোর শহরের বারান্দীপাড়ায় একটি বসতবাড়িতে ঢুকে চাঁদা দাবি ও যৌন নিপীড়নের চেষ্টার জেরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত একাধিক মামলার আসামি জিতু (৩৫) মারা গেছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে বৃহস্পতিবার ভোরে নড়াইলের তুলারামপুর এলাকায় তার মৃত্যু হয় বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।

পরে মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে আনা হয়। নিহত জিতু শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার রাত প্রায় ১১টার দিকে বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড় এলাকায় জিতু গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকার খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে জিতুকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান। পথে নড়াইলের তুলারামপুর এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় শুকরান বেগম (৫২) ও তার ছেলে সুমন হোসেন (২৮) নামে দুইজন আহত হয়েছেন। তারা যশোর জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শুকরান বেগম দাবি করেন, বুধবার রাতে জিতু তাদের বাড়িতে জোর করে ঢুকে তার ছেলের কাছে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছেলে সুমনকে আঘাত করেন। ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও কুপিয়ে আহত করা হয়। একপর্যায়ে ঘরের ভেতরে তার পুত্রবধূকে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা করা হলে আত্মরক্ষার্থে ঘরে থাকা একটি দা দিয়ে জিতুকে আঘাত করেন ওই গৃহবধূ।

জিতুর স্বজন হাসিনা বানু বলেন, চিকিৎসকদের পরামর্শে জিতুকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছিল। নড়াইলের তুলারামপুর এলাকায় পৌঁছানোর পর তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্থানীয় বখতিয়ার আলীসহ বেশ কয়েকজনের ধারণা, এলাকায় দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে হামলার পেছনের প্রকৃত কারণ তদন্ত শেষ হওয়ার আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
 

 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)