যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

অবশেষে নিয়োগ পাচ্ছেন স্থায়ী ঠিকানাহীন মিশন আচার্য

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশ : রবিবার, ৪ অক্টোবর,২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
আপডেট : রবিবার, ৪ অক্টোবর,২০২৬, ০৬:০০ পিএম
অবশেষে নিয়োগ পাচ্ছেন স্থায়ী ঠিকানাহীন মিশন আচার্য

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত উত্তীর্ণ হয়েও স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় নিয়োগপত্র আটকে যাওয়া ঝিনাইদহের সেই মিশন আচার্য অবশেষে চাকরি পেতে যাচ্ছেন।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানী ঢাকায় শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মিশন আচার্য। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন।

সাক্ষাৎ শেষে রোববার বিকেলে রাশেদ খাঁন নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে শিক্ষামন্ত্রী ও মিশন আচার্যের একটি ছবি শেয়ার করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি পোস্টে লেখেন, 'মিশন আচার্য নিয়োগপত্র হাতে পেতে যাচ্ছে... মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের দুই দিনের সফর শেষে আজকে মিশন আচার্যকে সাথে নিয়ে তার নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন মহোদয়।'

এর আগে গণমাধ্যমে ‘স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে গেল শিক্ষক পদে চাকরি’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি সবার নজরে আসে। এরপরই প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন নিজে উদ্যোগী হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বরাবর একটি আধা-সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দেন এবং মানবিক বিবেচনায় বিধি অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।

মিশন আচার্য ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৮২ জন প্রার্থীর মধ্যে একজন ছিলেন। তবে নিজের নামে কোনো স্থায়ী বসতভিটা না থাকায় পুলিশ ভেরিফিকেশনে তার নিয়োগপত্রটি আটকে যায়।

১৮২ জনের মধ্যে ১৮০ জন ইতোমধ্যে নিয়োগপত্র পেয়ে চাকরিতে যোগদান করলেও মিশন ও অন্য এক প্রার্থীর (মামলাজনিত কারণে) নিয়োগ আটকে ছিল।

মিশন আচার্যের মা ময়না আচার্য মানুষের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করে দুই ছেলেকে বড় করেছেন। চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও মিশন এসএসসি ও এইচএসসিতে ভালো ফলাফল করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। অবশেষে শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপে তার এই দীর্ঘ অনিশ্চয়তার অবসান হতে যাচ্ছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)