মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নে আমি চেষ্টা করে যাবো। সারাজীবন বদনাম হবে, এমন কোনো কাজ করবো না।
মহেশপুর ও কোটচাঁদপুরের উন্নয়নে দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।
মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহের মহেশপুর ডাকবাংলোর হলরুমে সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার কাজল বলেন, মহেশপুরের দত্তনগর ফার্মে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কৃষি, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের প্রসারে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, মহেশপুর ও কোটচাঁদপুরের হাসপাতালগুলোর উন্নয়ন এবং ভৈরবা হাসপাতালটি চালু করতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট নিরসনেও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া কোটচাঁদপুরের বলুহর বাঁওড়কে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিকমানের মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র গড়ে তোলার বিষয়েও বিভিন্ন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তার মতে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে এলাকার কৃষি, মৎস্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
মহেশপুর ও কোটচাঁদপুরের সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতা, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ এবং এলাকার সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে এলাকার মানুষের কল্যাণে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
সভায় মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মমিনুর রহমান, এসএম শাহজাহান মহন, নার্গিস সুলতানা দীপা, আলমগীর হোসেন এবং মহেশপুর অফিসার্স ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ, মহেশপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক বাবর আলী বাবু, আনিসুর রহমান রিপন, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান এবং এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।