যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

দেবহাটায় ইছামতীতে প্রতিমা বিসর্জন, নদীতে নামতে পারেননি বাংলাদেশিরা

দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

প্রকাশ : বুধবার, ২১ অক্টোবর,২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর,২০২৬, ০২:৫০ এ এম
দেবহাটায় ইছামতীতে প্রতিমা বিসর্জন, নদীতে নামতে পারেননি বাংলাদেশিরা

সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার টাউনশ্রীপুর সীমান্তে ইছামতী নদীতে প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে হাজারো মানুষের ঢল নেমেছিল। বুধবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দুই বাংলার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির এই আয়োজনকে ঘিরে নদীর দুই পাড়েই উৎসবের আমেজ তৈরি হয়।

তবে নিরাপত্তার অজুহাতে এবার বাংলাদেশ অংশের নদীতে কাউকেই নামতে দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, ভারতের সনাতনিদের তাদের সীমানার মধ্যে স্পিডবোট, নৌকা, ট্রলার ও লঞ্চে করে প্রতিমা বিসর্জন দিতে দেখা গেছে। এ সময় নদীর দুই পাড়ে থাকা হাজার হাজার মানুষ উৎসবের এই দৃশ্য উপভোগ করেন। সীমান্তের সব নিয়মকানুন মেনেই পুরো আয়োজনটি সম্পন্ন হয়।

বিসর্জনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, গ্রাম পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বেশ সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন, দেবহাটা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা।

ইছামতি নদীর এই প্রতিমা বিসর্জনকে ঘিরে প্রতি বছরই দুই বাংলার মানুষের মধ্যে সম্প্রীতিময় পরিবেশ বিরাজ করে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সীমান্তরক্ষীদের অত্যধিক কড়াকড়িতে দু'পাশের মানুষের আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যেকার দেখা-সাক্ষাৎ কঠিন হয়ে পড়েছে। এবারও সীমান্তের বিধিনিষেধ ও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যদিয়েই শান্তিপূর্ণভাবে বিসর্জন পর্ব শেষ হয়েছে।

দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এইচ এম শাহীন জানান, প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে নদীর পাড় ও আশপাশের এলাকায় বিজিবির পাশাপাশি পুলিশ, গ্রামপুলিশ এবং আনসার সদস্যরা নিয়োজিত ছিলেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কোনো ঝামেলা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)