স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
প্রেসক্লাব যশোরে সংবাদ সম্মেলন করে মণিরামপুর উপজেলার এক চিকিৎসককে জড়িয়ে চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও মানহানির অভিযোগ তুলেছেন সামিয়া আফরুজ শান্তি নামে এক তরুণী।
রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র তার সরলতার সুযোগ নিয়ে তাকে ব্যবহার করে তার চিকিৎসক ভগ্নিপতি ডা. রাফসানের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালায়।
এ সময় কয়েক ব্যক্তি সাংবাদিক পরিচয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও প্ররোচনা দিয়ে তাকে দিয়ে জোরপূর্বক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও মামলা করায়।
সামিয়া আফরুজ অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে তাকে দিয়ে ভিডিও বক্তব্য দেওয়ানোর চেষ্টা করা হয় এবং মামলার বিষয়বস্তু তার অজান্তেই বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়। এমনকি মণিরামপুর থানায় নেওয়ার পর তাকে কয়েকদিন একটি কক্ষে আটকে রেখে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ওই চক্রটি তাকে ‘ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে চিকিৎসকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। কিন্তু পরবর্তীতে বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি নিজেকে সরিয়ে নিতে চাইলে তাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখানো শুরু হয়।
তিনি বলেন, ‘আমার সরলতা ও মানসিক অবস্থার সুযোগ নিয়ে একটি চক্র আমাকে ব্যবহার করেছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এ ধরনের প্রতারণা ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি ঘটনার সত্যতা যাচাই করে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
উল্লেখ্য, এর আগে ভুক্তভোগী ওই তরুণী একই ঘটনায় মণিরামপুর থানায় জিম্মি করে রাখা, জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়া এবং ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে কুরুচিপূর্ণ সংবাদ প্রকাশের অভিযোগও তুলে ধরেছিলেন।