খুলনা অফিস
খুলনা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক হাজিরায় ব্যবহৃত ডিজিটাল ফেস ডিটেকটর হাজিরা মেশিন চুরির ১২ ঘণ্টার মাথায় উদ্ধার হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত হওয়া চোর প্রতিষ্ঠানটির এমএলএসএস কাউসারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কলেজ প্রশাসন।
ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) সকালে কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এমএলএসএস কাউসার রোববার (১৭ মে) বিকাল ৩টা ৫ মিনিটে কলেজের ওই কক্ষে প্রবেশ করেন এবং তিনটা ৯ মিনিটে মেশিনটি হাতে নিয়ে বের হয়ে যান।
এ ঘটনায় পুরো কলেজ জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
রোববার সন্ধ্যায় কলেজের নৈশপ্রহরীরা দায়িত্ব পালনের জন্য আসলে নিচতলায় ডিজিটাল হাজিরার ফেস ডিটেকটর মেশিন দেখতে না পাওয়ায় অধ্যক্ষকে জানান।
সোমবার সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কাউসার চুরির বিষয়টি স্বীকার করেন এবং মেশিন ফেরত দেন। এ ঘটনার সঙ্গে একজন শিক্ষক ও বিভাগীয় প্রধানের জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
এদিকে, এ ঘটনা তদন্তে উপধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আমানুল হাসানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি করা হয়। আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়।
একইসাথে সাময়িক বহিষ্কার করা হয় অভিযুক্ত এমএলএসএস কাউসারকে।
খুলনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাক্তার গোলাম মাসুদ বলেন, ‘ঘটনাটিকে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বে সাথে বিবেচনা করেছি। তদন্তের স্বার্থে কোনো তথ্যই প্রকাশ করা যাচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাহায্য নিয়ে তদন্ত চলছে। খুব শিগগির আমরা বিস্তারিত জানাবো ‘