ইবি প্রতিনিধি
সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বৃক্ষরোপণ ও 'ক্লিন ক্যাম্পাস' কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
আজ রোববার (২৮ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. শাহীনুজ্জামান এবং 'ক্লিন কুষ্টিয়া-গ্রিন কুষ্টিয়া' সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা এতে অংশ নেন।
কর্মসূচির শুরুতে প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণ শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমানের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসজুড়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
‘ক্লিন কুষ্টিয়া-গ্রিন কুষ্টিয়া’র প্রধান উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বলেন, এই ক্যাম্পাসে ইতিমধ্যেই অনেক গাছপালা রয়েছে। আমাদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা গ্রিন ক্যাম্পাস গড়তে সার্বিক সহযোগিতা করতে এসেছি। এখানে যারা ছাত্র-ছাত্রী আছেন, তারা এগিয়ে এলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী সবাই মিলে আমরা একটি চমৎকার ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে পারব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, ‘কোন গাছ ক্যাম্পাসের কোথায় লাগানো হবে, তা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অফিস ইতিমধ্যে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করেছে, যা চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এমন ওষধি, ফলদ ও বনজ গাছই রোপণের জন্য নির্বাচন ও স্থান নির্ধারণ করা হচ্ছে। আজ থেকে আমরা মাসব্যাপী এই কার্যক্রম পরিচালনা করবো।’
উপাচার্য আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকটিকেও দৃষ্টিনন্দন ও সংস্কারের মাধ্যমে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হবে। ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে প্রতিটি ভবনের একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তিনি নিজেই নিয়মিত তদারকি করবেন।