যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

নড়াইলে স্কুলে নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগে মামলা

নড়াইল প্রতিনিধি

প্রকাশ : বুধবার, ১৫ জুলাই,২০২৬, ০৬:০৬ পিএম
আপডেট : বুধবার, ১৫ জুলাই,২০২৬, ০৮:১৬ পিএম
নড়াইলে স্কুলে নিয়োগ জালিয়াতির অভিযোগে মামলা

নড়াইল সদর উপজেলার আরবিএফএম ভবানীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ জালিয়াতি, পত্রিকার কপি জাল এবং এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সভাপতিসহ  ছয়জনের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) আদালতে মামলা হয়েছে। 

মামলার বাদী ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক এম এম জিয়াউল হক বুধবার (১৫ জুলাই) সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মামলায় আসামি করা হয়েছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সাবেক সভাপতি সিকদার তোফায়েল আহমেদ, সহকারী প্রধান শিক্ষক নওরিন কবির, সহকারী শিক্ষক আজিজুর রহমান, অফিস সহকারী শরীফ আব্দুল বাকী এবং ভবানীপুরের বাসিন্দা শরীফ তোকরুল হোসেন ও শরীফ রেফায়েত হোসেনকে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আরবিএফএম ভবানীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে জালিয়াতি, ঘুস ও নিয়োগবাণিজ্য চলে আসছে। ২০১৩ সালে প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ২০১৪ সালে তিন শিক্ষক নিয়োগ পান। তাদের একজনের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা ও সাজা  হওয়ার পর তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন।

এরপর আর কোনো নিয়োগ পরীক্ষা বা নতুন বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই ২০২৩ সালের পুরনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ব্যবহার এবং নথি জাল করে নিয়োগ দেওয়া হয় বলে বাদীর দাবি।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এ কাজে বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান শিক্ষক ও বর্তমানে প্রয়াত গোপালচন্দ্র বিশ্বাসের স্বাক্ষর ও সিল জাল করা হয়েছে। এমনকি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হলেও পরীক্ষার ফলাফল (রেজাল্ট শিট) উপস্থিতি ও অন্যান্য দাপ্তরিক কাগজপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন দেখানো হয়েছে।

এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করায় বাদীসহ কয়েকজন শিক্ষককে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। 

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, ৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে বিদ্যালয়ের একটি সভায় বাদী ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সক্রান্ত  অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়টি উপস্থাপন করলে আসামিদের কয়েকজন তাদের গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে বাদীর জামার কলার ধরে টানাহেঁচড়া করে তাদের সভাকক্ষ থেকে বের করে দেন। পরে বিদ্যালয়ে গেলে তাকে হত্যা বা গুরুতর জখম করার হুমকি দেন। ঘটনার পর বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করায় তিনি বিদ্যালয়ে যেতে পারছেন না বলে দাবি তার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামলায় এক নম্বর অভিযুক্ত সিকদার তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আমার সময় বিদ্যালয়ে কোনো নিয়োগ হয়নি। মামলায় আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলো সঠিক নয়।’

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)