যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

কাদা-পানিতে শিশু শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ

সাইফুল ইসলাম কবির

, বাগেরহাট

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট,২০২৬, ১১:৩৮ পিএম
কাদা-পানিতে শিশু শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত হয়নি কোনো রাস্তা। ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও কাদায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৩৯ সালে ৪২ শতক জমির ওপর সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। এরও আগে ৪১ শতক জমিতে করা হয় সন্তোষপুর ও চরবানিয়ারী ইউনিয়ন ভূমি অফিস। কিন্তু এতোদিনেও প্রতিষ্ঠান দু’টির সঙ্গে মূল সড়কের সংযোগ স্থাপনে কোনো রাস্তা নির্মাণ করা হয়নি।

বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ১৩১ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী রয়েছে। বর্ষা এলেই তাদের প্রতিদিন কাদা ও পানি মাড়িয়ে বিদ্যালয়ে যেতে হয়।

শিশু শিক্ষার্থী সপ্তর্ষি রানা, সিয়াম হোসেন, কারিমন আক্তার, জান্নাতুল রাফিয়া, আয়শা আক্তার, পার্থ মজুমদার ও বিষাণ মজুমদার জানায়, তাদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা নেই। জল-কাদা মাড়িয়ে অনেক কষ্ট করে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হয় তাদের। অনেক সময় পোশাক ও বই-খাতা নোংরা বা ভিজে যায়।

শুধু বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী নয়, একই সমস্যায় পড়ছেন সন্তোষপুর ও চরবানিয়ারী ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ।

সেবাগ্রহীতা তাহিদুর রহমান বাবু, সাফায়েত হোসেন ও সুবল কর্মকার জানান, ভূমি অফিসে যাতায়াতের জন্য রাস্তা না থাকায় কাদা ও পানি মাড়িয়ে অত্যন্ত কষ্ট করে যেতে হয়। অনেক সময় পানিতে পড়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যায়।

তাদের দাবি, দ্রুত প্রতিষ্ঠান দু’টিতে যাতায়াতে একটি স্থায়ী রাস্তা নির্মাণ করা জরুরি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছায়া রাণী ব্রহ্ম জানান, বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য আজ রাস্তা না থাকায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। পাশের ভূমি আসা সেবা গ্রহীতাদের অনেকেই বিদ্যালয়ের বারান্দা ব্যবহার করে। এতে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হয় এবং পাঠদান কার্যক্রমও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা মনোজ বিশ্বাস বলেন, আমরা এই অফিসে মোট পাঁচজন স্টাফ। এছাড়া প্রতিদিন অসংখ্য সেবা গ্রহীতা আসেন। কাদা ও পানির কারণে সকলকেই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এ বিষয়ে চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার বলেন, রাস্তার বিষয়টি কিছুদিন হলো জেনেছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)