স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয়। এরপর প্রেম। মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ। এক পর্যায়ে দৈহিক সম্পর্ক। তারপর অন্তঃসত্ত্বা। শারীরিক সম্পর্কের পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ার ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে যশোরের ইয়ামাহা গ্রুপের অ্যাডমিন ইয়ামল আলম পিয়ালের (২৭) বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেছেন যশোরের উপশহরের এক নারী (২৭)।
পিয়াল যশোরের চারখাম্বার মোড়ের কাচ্চি ভাইয়ের বিপরীতে রেনুছায়া আবাসিক এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে।
ওই নারী এজাহারে উল্লেখ করেছেন, প্রায় আট মাস আগে তার সাথে ফেসবুকের মাধ্যমে পিয়ালের পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে বিভিন্ন ডিজিটাল প্লাটফর্মে কথা হতো। চারমাস আগে থেকে পিয়াল নানাভাবে ফুঁসলাতে থাকে। বিয়ে করবে বলে আশ্বস্ত করে। এতে তিনি বিশ্বাস স্থাপন করেন এবং তার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে একাধিকবার দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন হয়। তাকে কক্সবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে গিয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে সম্পর্ক স্থাপন করে। সর্বশেষ গত ১৬ আগস্ট ফোন দিয়ে পিয়াল তার বাড়ির সামনে আসতে বলেন। এরপর তাকে বাড়িতে নিয়ে যান। রাতে তার বাড়িতে অবস্থান করলে তার সাথে দৈহিক সম্পর্ক হয়। সে সময় তিনি বিয়ের কথা বললে ‘আজ না কাল’ বলে ঘুরাতে থাকে। এরপর তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে পিয়ালকে জানানো হয় এবং তাকে শরিয়া মোতাবেক বিয়ে করবে বলে পিয়াল বিভিন্নভাবে ঘোরাতে থাকে। একপর্যায়ে সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। তিনি বাধ্য হয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে তিনি পিয়ালের বাড়িতে যান এবং বিয়ে জন্য চাপ দেন। সে সময় পিয়াল ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এবং ঘাড় ধরে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এরপর তিনি বিষয়টি নিকট আত্মীয় ও বন্ধু-বান্ধবকে জানিয়ে থানায় মামলা করেন।
এ বিষয়ে জানতে ইয়ামল আলম পিয়ালের দুটি সেলফোন নম্বরকে বুধবার রাতে কল করা হয়। কিন্তু ফোন নম্বর দুটি বন্ধ থাকায় তার মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।