স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
অভিযুক্ত মহিদুজ্জামান মুকুল
ছবি:
যশোরের অভয়নগরে সাত লাখ টাকা ও সংসারের মালামাল যৌতুক দাবি করে স্ত্রীকে মারধর এবং গলা কেটে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রেকর্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে ছয় বছরের মেয়েকে নিজের কাছে ফিরে পেতে আদালতে আরেকটি মামলা করেছেন ওই গৃহবধূ।
মামলাকারী মিনা ফেরদৌস মণিরামপুর উপজেলার বাকোশপোল গ্রামের হযরত আলীর মেয়ে।
তার স্বামী অভিযুক্ত মহিদুজ্জামান মুকুল অভয়নগর উপজেলার বুইকারা এলাকার মোকালেসুর রহমানের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মিনা ফেরদৌসের সঙ্গে মহিদুজ্জামান মুকুলের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে মুনতাহা জামান ঝুমুর নামে ছয় বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের পর প্রথমদিকে স্বামীর আচরণ স্বাভাবিক থাকলেও পরে তা পরিবর্তন হতে থাকে।
এজাহারে বলা হয়, গত ১৬ আগস্ট রাত পৌনে ১১টার দিকে অভয়নগরের বুইকারা এলাকায় নিজ বাড়িতে মুকুল তার স্ত্রীর কাছে সাত লাখ টাকা ও সংসারের মালামাল যৌতুক হিসেবে দাবি করেন।
মিনা ফেরদৌস এতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়।
একপর্যায়ে মুকুল ছুরি দিয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে গলায় আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তিনি রক্তাক্ত জখম হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে বলে মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে।
মিনা ফেরদৌস গত ১৯ আগস্ট লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ করেন। পরে ২১ সেপ্টেম্বর ও ১৪ অক্টোবর বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হলেও সমঝোতা হয়নি। এরপর তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন।
গত ১৭ অক্টোবর আদালত ১০ দিনের মধ্যে অভয়নগর থানাকে অভিযোগটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন।