যশোর, বাংলাদেশ || সোমবার, ১১ মে ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

শার্শার ইকরামুল হত্যায় অভিযুক্তের 'স্বীকারোক্তি'

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : সোমবার, ১১ মে,২০২৬, ০১:০৫ এ এম
আপডেট : সোমবার, ১১ মে,২০২৬, ০১:৪৩ এ এম
শার্শার ইকরামুল হত্যায় অভিযুক্তের 'স্বীকারোক্তি'

Subornovumi অভিযুক্ত আর ফুরাদ ছবি: ফাইল ছবি

যশোরের শার্শায় ইকরামুল কবির হত্যার ঘটনায় আল ফুরাদ ও মুন্নি আক্তারসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার (১০ মে) তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

এর মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত আল ফুরাদ ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে পুলিশ জানায়। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জয় পাল তার জবানবন্দী গ্রহণ করেন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলার বসতপুর পূর্বপাড়ার আরশাদের ছেলে আল ফুরাদ, সেতাই পশ্চিম পাড়ার ফজলু ওরফে ফজু মোড়ল ও তার মেয়ে মুন্নি আক্তার ও আমলাই গ্রামের মৃত রুহুল কুদ্দুসের মেয়ে কাকলী আক্তার।

নিহত ইকরামুল কবির যশোরের শার্শা উপজেলার দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে।

নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ৮ এপ্রিল রাতে ইকরামুল কবির সেতাই গ্রামে তার বড় বোন শিল্পী খাতুনের বাড়ি থেকে নিজ বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হন। এ বিষয়ে ইকরামুলের বাবা আব্দুর রশিদ তার ছেলেকে অপহরণের অভিযোগে আদালতে মামলা করেন। মামলায় তিনি পুত্রবধূ মুন্নি আক্তারসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন। পরে আদালতের আদেশে শার্শা থানায় সেটি নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার বিশ্বাস জানান, আসামি আল ফুরাদকে গ্রেপ্তারের পর তার স্বীকারোক্তিতে গত শনিবার ফুয়াদের নিজের ঘোয়ালঘরে পুঁতে রাখা ইকরামুল কবিরের লাশ উদ্ধার করা হয়। এছাড়াও এজাহারভুক্ত আসামি ফজু মোড়ল, কাকলী আক্তার ও মুন্নি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শার্শা থানার ওসি মো. মারুফ হোসেন জানান, মুন্নি আক্তার এ পর্যন্ত চারটি বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্বামীর নাম ইমদাদুল। দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ স্বামী হলেন যথাক্রমে ইয়াহিয়া, আল ফুরাদ ও ইকরামুল কবির।

তিনি বলেন, মুন্নি আক্তারের একটি বিউটি পার্লার রয়েছে। ইকরামুল কবিরকে বিয়ে করায় তার ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন মুন্নির আগের স্বামী আল ফুরাদ। এজন্য ইকরামুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ফুরাদ। তাকে কৌশলে নিজের বাড়িতে ডেকে এনে ঘুমের ওষুধ মেশানো জুস পান করানো হয়। অচেতন হয়ে পড়লে দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধে ইকরামুলকে হত্যা করা হয়। এরপর ঘোয়ালঘরে মাটি খুঁড়ে তার লাশ পুঁতে রাখেন আল ফুরাদ। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার এই বিবরণ পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)