সুবর্ণভূমি ডেস্ক
বুধবার বিকেলে বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ যশোর জেলা কার্যালয়ে চার শহীদ স্মরণে সভা হয়েছে।
বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ যশোর জেলা সম্পাদক তসলিম-উর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ।
অন্যদের মধ্যে কেন্দ্রীয় নেতা নাজিম উদ্দিন, একাত্তরের শহীদ দীপুর ছোট ভাই ও ‘বিপ্লবী স্মৃতি রক্ষা কমিটি’র সদস্য আবুল বাশার সাইফুউদ্দৌলা, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী পরিষদের আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ এবং লেখক মফিজুর রহমান রুননু।
আলোচনা সভায় বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধোত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও বামপন্থিদের ঐতিহাসিক ভূমিকার নানা দিক তুলে ধরে বলেন, দেশ স্বাধীনের পরও যখন সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি সাধিত না হয়, তখন নতুন করে লড়াইয়ের প্রশ্ন আসে। ঠিক সেই সময় রক্ষীবাহিনীর হাতে এদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের অনেক বামপন্থি মুক্তিকামী মুক্তিযোদ্ধা ও নেতা প্রাণ হারান। শহীদ কমরেড দীপু, মহিউদ্দীন, হায়দার ও ঝরনারা যে শোষণমুক্ত সমাজ ও শ্রমজীবী-মেহনতি মানুষের বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, আজ পর্যন্ত তার বাস্তবায়ন হয়নি।
বক্তারা আরও বলেন, আজকের দিনে শহীদদের স্মরণ করে সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদের কাছে নতজানু রাষ্ট্রব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও শ্রমজীবী মানুষের দেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
১৯৭৪ সালের ৪ নভেম্বর কোরবানি ঈদের চারদিন আগে বাড়িতে মায়ের হাতের খাবার খেয়ে ফেরার পর কোটচাঁদপুরে পার্টির একটি গোপন সভায় রক্ষীবাহিনীর অতর্কিত আক্রমণে কমরেড দীপু, মহিউদ্দিন, হায়দার ও ঝরনাসহ অন্য কমরেডদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।