যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ৩ মে ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

কালিয়ায় ফিলিং স্টেশনে নেই দীর্ঘ লাইন

জান্নাতুল বিশ্বাস

, নড়াইল (কালিয়া)

প্রকাশ : শনিবার, ২ মে,২০২৬, ০৮:০৬ পিএম
আপডেট : রবিবার, ৩ মে,২০২৬, ০১:২২ এ এম
কালিয়ায় ফিলিং স্টেশনে নেই দীর্ঘ লাইন

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় কয়েকদিন আগেও যেখানে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা ছিল নিত্যদিনের চিত্র, সেখানে এখন দেখা যাচ্ছে সম্পূর্ণ ভিন্ন দৃশ্য।

দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি কাটিয়ে জ্বালানি তেল সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় জনমনে ফিরে এসেছে স্বস্তি।

শনিবার (০২ মে) সকালে কালিয়া উপজেলার একমাত্র তেল পাম্প কালিয়া ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, আগের মতো আর ভীড় বা দীর্ঘ লাইন নেই।

মাত্র এক সপ্তাহ আগেও যেখানে গভীর রাত থেকে মোটরসাইকেলের সিরিয়াল শুরু হয়ে সকাল গড়াতেই লম্বা লাইন ছিল, প্রতিদিন প্রায় ৭০০-৮০০ মোটরসাইকেলের চাপ থাকলেও বর্তমানে সেই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

কালিয়া ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা রাইহান ইসলাম বলেন, ‘আমি খুলানায় চাকরি করি। মোটরসাইকেলে যাতায়াতের জন্য এখান থেকে তেল নিতে হয়। কয়েকদিন আগেও লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে, চাহিদামতো তেল পাইনি। আজ কোনো লাইন ছাড়াই চাহিদামতো তেল পেয়েছি, ভালো লাগছে।’

কৃষক মহিদুল শেখ বলেন, ‘গত সপ্তাহেও ধান মাড়াইয়ের জন্য অনেক সময় দাঁড়িয়ে ডিজেল নিতে হয়েছে। আজকে কোনো ঝামেলা ছাড়াই এসে ডিজেল নিতে পারছি।’

এনজিও কর্মী সদানন্দ বলেন, ‘প্রতিদিন অফিসের কাজের প্রয়োজনে মোটরসাইকেল চালাতে হয়। কিছুদিন আগেও ৩-৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে হয়েছে। আজ লাইন ছাড়া প্রয়োজনমতো তেল নিতে পেরেছি।’

কালিয়া ফিলিং স্টেশনের কর্মী সাকিল আহম্মেদ বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেও ৬০০-৭০০ গাড়ির দীর্ঘ লাইন থাকতো, সারাদিন তেল দিয়েও শেষ করা যেত না। এখন সকাল থেকে ৫০টির মতো গাড়িও থাকে না।’

কালিয়া ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সুজন জানান, ‘এখন জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং যানবাহনগুলো তাদের চাহিদা অনুযায়ী সহজেই তেল নিতে পারছেন।’

কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষিনির্ভর এ উপজেলায় জ্বালানি তেলের চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেশি। একমাত্র ফিলিং স্টেশন থাকায় সাময়িকভাবে চাপ সৃষ্টি হলেও প্রশাসনের সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে সরবরাহ পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ স্থিতিশীল হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে তেল সংগ্রহে কোনো ভীড় বা দীর্ঘ লাইনের চিত্র দেখা যাচ্ছে না, যা পরিস্থিতির স্বাভাবিক অবস্থারই প্রতিফলন।’

তিনি আরও বলেন, বাজারে স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এর আগে, গত ১৮ এপ্রিল রাতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন নির্ধারিত দামে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩০ টাকা, অকটেন ১৪০ টাকা এবং পেট্রোল ১৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)