অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোর-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও যশোর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. গোলাম রছুল বলেছেন, আমার নির্বাচনি আসনে বোরো ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোনো রকম অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। মধ্যস্বত্বভোগীরা যেন ফায়দা লুটতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে যশোরের অভয়নগরে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এমপি গোলাম রছুল আরও বলেন, সরকারনির্ধারিত মূল্যে সহজ শর্তে প্রকৃত কৃষকের কাছ থেকে ধান ক্রয় নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে কৃষি অফিস কর্তৃক প্রকৃত কৃষক যাচাই-বাছাই করতে হবে। ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে কৃষক হয়রানির প্রমাণ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা খাদ্য বিভাগের আয়োজনে পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ সালাউদ্দিন দিপু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন, খাদ্য নিয়ন্ত্রক বজলুর রহমান গাজী, শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ওলিউর রহমান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার দাস, নওয়াপাড়া সরকারি খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মুজিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস জেড মাসুদ তাজ, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহ-সেক্রেটারি মো. গোলাম মোস্তফা, কৃষক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, মো. মশিউর রহমান প্রমুখ।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বজলুর রহমান গাজী জানান, চলতি বছরে অভয়নগর উপজেলায় বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৭৮ মেট্রিক টন। প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে আগামী ৩১ আগস্ট ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত এই সংগ্রহ অভিযান চলবে। একজন কৃষক সর্বোচ্চ ৩ (তিন) মেট্রিক টন ধান সরকারি গুদামে বিক্রি করতে পারবেন।