ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
নানা বিতর্কের মধ্যে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদকে প্রত্যাহার করে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নোমান হোসেনকে ঝিনাইদহের নতুন জেলা প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ দেওয়া হয়।
গত সপ্তাহে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সদ্য বদলীকৃত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরার একটি অডিও বক্তব্য ভাইরাল হয়।
ভাইরাল হওয়া অডিওতে সাবেক এই কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ মাসুদের ওপর অকারণে তিরস্কার, ভুয়া প্রকল্প তৈরির নির্দেশ, এমনকি তার সাথে রাতযাপন করতে হবে- এমন গুরুতর অভিযোগ করেন।
তিনি দাবি করেন, জেলা প্রশাসকের অনৈতিক দাবি না মানার কারণে গত ঈদুল ফিতরের দুইদিন আগে হঠাৎ তাকে সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় বদলি করা হয়।
অডিওতে হোসনে আরাকে বলতে শোনা যায়, তার শিশুকন্যা গুরুতর অসুস্থ থাকলেও স্টেশন ছাড়তে নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে তিনি চরম ক্ষুব্ধ হন।
এদিকে, এই বক্তব্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সাতক্ষীরার তালা থেকে প্রত্যাহার করে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসাবে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে হোসনে আরাকে।
এবার জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদকেও প্রত্যাহার করা হলো।
এর আগে গত ২৮ মার্চ ফেসবুকের দুটি প্রোফাইল ও একটি পাতার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ এনে সদর থানায় জিডি করেন ডিসি ।
ভাইরাল অডিও'র বিষয়ে জানতে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসনে আরাকে ফোন করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
প্রত্যাহারের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, ‘যে কথাগুলো অডিওতে এসেছে সেগুলো এডিট করে করা হয়েছে। আমার একটি দোষ প্রতিটি জায়গায় অনিয়মের আমি জোরালোভাবে প্রতিবাদ করেছি। যা কিছু মানুষের পছন্দ হয়নি।’
তিনি বলেন, ‘অডিওটি মানুষ লুফে নিয়েছে। এটার জন্য আমাকে বদলি করেছে কিনা আমি জানি না ‘