স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোর জেলা যুবদলের বহিষ্কৃত প্রচার সম্পাদক এস্কেন্দার আলী জনির (৪৫) বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে আলাদাভাবে দুটি মামলা করেছেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ এবং সদস্য সচিব আনছারুল হক রানা।
যুবদলের এই দুই শীর্ষ নেতার অভিযোগ, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে চলেছেন। এই অভিযোগে গত সোমবার (০৬ এপ্রিল) রাতে তারা পৃথকভাবে কোতোয়ালি থানায় মামলা দুটি করেন।
এস্কেন্দার আলী জনি যশোর সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম মানিকের ছেলে।
দুই নেতা তাদের এজাহারে উল্লেখ করেছেন, আসামি জনি ইতিপূর্বে জেলা যুবদলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি মাদকাসক্ত। তার এই ধরনের কর্মকাণ্ডের ফলে সংগঠন থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এর পর থেকে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে জাতীয়তাবাদী দলের জেলার নেতাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার অপপ্রচার চালিয়ে আসছেন। তাকে একাধিকবার নিষেধ করার পরও তিনি শোনেননি। ফেসবুকে দলীয় নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে নানাভাবে আজেবাজে পোস্ট দিয়েই চলেছেন।
আনছারুল হক রানা এজাহারে উল্লেখ করেছেন, গত ১ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি চাঁচড়া ডালমিল এলাকার বাড়িতে ছিলেন। সে সময় দেখতে পান এস্কেন্দার আলী জনি ফেসবুক লাইভে এসে তার বিরুদ্ধে নানা রকমের মিথ্যা, বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করে কুৎসা রটাচ্ছেন। তাকে ব্ল্যাকমেইলিং এর মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করছেন। বিষয়টিকে তিনি অন্যদের জানান এবং জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সাথে কথা বলে তিনি থানায় মামলা করেন।
আহ্বায়ক এম তমাল আহমেদ উল্লেখ করেছেন, ১ এপ্রিল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি খড়কী শাহ আব্দুল করিম রোডের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। সে সময় দেখতে পান এস্কেন্দার আলী জনি ফেসবুকে লাইভে এসে তার বিরুদ্ধে নানা রকম মিথ্যা ও কুৎসা রটাচ্ছেন। তিনিও জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সাথে কথা বলে থানায় মামলা করেছেন বলে উল্লেখ করেন।