স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
ইউরোপের দেশ পর্তুগালে পাঠানোর নামে প্রতারণা করে এক কোটি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেছে সিআইডি। অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য না পাওয়ায় দুজনকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে সম্প্রতি যশোর আদালতে এই চার্জশিট জমা দেন সিআইডির পরিদর্শক কাজী কামাল হোসেন।
চার্জশিটভুক্ত পলাতক আট আসামি হলেন—ঝিনাইদহের আলফাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাসুদ, আবু বক্কার সিদ্দিক ও মনিরুজ্জামান, মুন্সিগঞ্জের সুমন বিশ্বাস ওরফে ভোন্ডজ, খুলনার আলেহা রাহাত, মাগুরার মন্টু ওরফে সেন্টু বিশ্বাস এবং চট্টগ্রামের আব্দুর রহিম। এছাড়া শাম্মী আক্তার ও নজিবুল নূর নামের দুজনকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, যশোরের চৌগাছা উপজেলার সলুয়া গ্রামের শাহজাহান আলীসহ বেশ কয়েকজন ইউরোপের পর্তুগালে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। আসামি আলফাজ ও তার সহযোগীরা ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১৮ লাখ টাকা করে মোট এক কোটি ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
পরবর্তীতে আসামিরা ভুক্তভোগীদের ভারতের দিল্লিতে নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে পর্তুগালের ভুয়া ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটের কাগজপত্র দিয়ে দেশে ফেরত পাঠায়। কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ে জালিয়াতি ধরা পড়লে ভুক্তভোগীরা টাকা ফেরত চান। কিন্তু আসামিরা টাকা ফেরত না দিয়ে নানা টালবাহানা শুরু করে। স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় শাহজাহান আলী বাদী হয়ে গত ৪ জুন যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলাটি পরে সিআইডিতে হস্তান্তরিত হলে দীর্ঘ তদন্ত শেষে এই চার্জশিট দাখিল করা হয়।