মেহেরপুর প্রতিনিধি
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রামনগর গ্রামে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ ছয়জনকে বিষ প্রয়োগে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেছেন চুমকি খাতুন নামে এক গৃহবধূ। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে পরিবারের লোকজনসহ গাংনী থানায় এসে তিনি এই অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্ত সুমন হোসেন একই গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে। তবে, কী কারণে সুমন এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানে না ভুক্তভোগী ওই পরিবারটি।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন চুমকি খাতুনের স্বামী মিজানুর রহমান।
মামলার বাদী চুমকি খাতুন বলেন, ‘বুধবার বেলা ১২টার দিকে আমি চুলায় ভাত চাপিয়ে ঘরে গেছি। ফিরে আসার সময় দেখছি সুমন আমার ভাতের হাড়ির ভেতরে কাগজে মোড়ানো কী যেন দিচ্ছে। পরে দেখি হাড়ির পানি ও চাল কালো হয়ে গেছে। পরে সেগুলো নিয়ে থানায় মামলা দিয়েছি।’
তবে, অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের কাছে মোবাইল ফোনে এ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি ঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন, ‘ভাতের হাড়ি আলগা থাকার কারণে আমি সেটি ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করেছি।’
চুমকির স্বামী মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমাকে গ্রামছাড়া করতেই আমার পরিবারের ছয়জনকে হত্যার উদ্দেশে সে আমার খাবারের হাড়িতে বিষ প্রয়োগ করেছে। আমি এই ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করছি।’
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিদ মোর্শেদ এই তথ্য নিশ্চিত করে বলেছেন, ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’