যশোর, বাংলাদেশ || শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বাবার আঘাতেই মৃত্যু নির্জনার, আদালতে মায়ের জবানবন্দী

খুলনা প্রতিনিধি

প্রকাশ : শনিবার, ১১ জুলাই,২০২৬, ১২:১৯ পিএম
আপডেট : শনিবার, ১১ জুলাই,২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
বাবার আঘাতেই মৃত্যু নির্জনার, আদালতে মায়ের জবানবন্দী

বাবার হাতেই খুন হয়েছেন খুলনার সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরফানা হোসেন নির্জনা (১৭) । কথার অবাধ্য হওয়ায় রাগের মাথায় নেশাগ্রস্ত আলীম হোসেন আকাশ মাথার পেছনে আঘাত করায় অজ্ঞান হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে সে। এরপর চরম অস্থিরতার মধ্যে বস্তাবন্দী করে মরদেহ নিরালায় ফেলে পালিয়ে যান ঘাতক বাবা।

নির্জনা  হত্যার ঘটনায় মা সীমা আক্তার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

শনিবার সকালে কেএমপির সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিং-এ পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান এ তথ্য উপস্থাপন করেন। 

এর আগে শুক্রবার (১০ জুলাই) খুলনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইব্রাহীম খলিল মুহিম সীমা আক্তারের জবানবন্দী রেকর্ড করেন। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

সীমা জানান, অল্প বয়সে পরপর দুটি বিয়ে হওয়া এবং প্রায়ই কথার অবাধ্য হয়ে বাড়ির বাইরে থাকার কারণে মেয়ে নির্জনার ওপর প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত ছিলেন বাবা আলিম হোসেন আকাশ। বুধবার সন্ধ্যার দিকে সোনাডাঙ্গা বসুপাড়ার বাসায় এই নিয়ে ফের পারিবারিক কলহ শুরু হলে রাগের মাথায় নির্জনার মাথার পেছনে সজোরে আঘাত করেন আকাশ। এতে মুহূর্তের মধ্যে অজ্ঞান হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে নির্জনা এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

খুলনা সদর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই আবদুস সাত্তার জানান, নিহতের মায়ের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিহতের বাবা আলীম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) রাত ১০টার দিকে খুলনা মহানগরীর নিরালা প্রান্তিকা আবাসিক এলাকায় একটা সাততলা ভবনের সামনে প্লাস্টিকের বস্তায় নির্জনার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

পরদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মরদেহের ছবি দেখে হাসপাতালে গিয়ে মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন তার মা। নির্জনা নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানার বসুপাড়া বাঁশতলা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

ঘটনার পর প্রথমে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল, চলতি বছরের ২১ এপ্রিল নির্জনার বিয়ে হয় এবং তার স্বামী তাকে হত্যা করে থাকতে পারেন। তবে তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও পুলিশের তদন্তের আওতায় আসেন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ, উদ্ধার করা আলামত, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে তদন্তে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাইয়ের অংশ হিসেবে নিহতের মা-বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)